‘করোনামুক্ত বিশ্ব গড়তে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত জরুরি’

প্রকাশিত: ১২:১৬, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৯:১১, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি নতুন, অন্তর্ভূক্তিমূলক ও বৈশ্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (২৪শে সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬ তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে মোকাবেলায় ৬টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছেন তিনি। তার প্রস্তাবে, করোনা মোকাবেলায় টিকার বৈষম্য দূর করা, জলবায়ু, শিক্ষা, রোহিঙ্গা সংকটের কথা তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা তার প্রথম প্রস্তাবে বলেন, ‘কোভিডমুক্ত একটি বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে টিকার সর্বজনীন ও সাশ্রয়ী মূল্যে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। গত বছর এ মহতী অধিবেশনে আমি কোভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। বিশ্বনেতাদের অনেকে তখন এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেছিলেন। 

সে আবেদনে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং আমরা ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়তে দেখেছি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, এ যাবৎ উৎপাদিত টিকার ৮৪ শতাংশ উচ্চ ও উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষের কাছে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আয়ের দেশগুলো ১ শতাশেরও কম টিকা পেয়েছে।’

লাখ লাখ মানুষকে টিকা থেকে দূরে রেখে কখনই টেকসই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ জরুরিভিত্তিতে এ টিকা বৈষম্য দূর করতে হবে।’

‘তাই আমি আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। অবিলম্বে টিকা প্রযুক্তি হস্তান্তর টিকার সমতা নিশ্চিত করার একটি উপায় হতে পারে। প্রযুক্তি সহায়তা ও মেধাস্বত্ত্বে ছাড় পেলে বাংলাদেশও ব্যাপক পরিমাণে টিকা তৈরি করতে সক্ষম।

জাতিসংঘে দেওয়া চতুর্থ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোভিড-১৯ অতিমারির নজিরবিহীন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে রয়েছি। তবে, এ মহামারি অনেক দেশের উত্তরণের আকাঙ্ক্ষাকে বিপন্ন করেছে। স্বল্পোন্নত দেশের টেকসই উত্তরণ ত্বরান্বিত করার জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আমরা প্রণোদনাভিত্তিক উত্তরণ কাঠামো প্রণয়নে আরও সহায়তা আশা করি। এলডিসি-৫ সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক কমিটির অন্যতম সভাপতি হিসেবে, আমরা আশা করি যে দোহা সম্মেলনের সুনির্দিষ্ট ফলাফল আরও বেশি সংখ্যক দেশকে সক্ষমতা দান করবে, যেন তারা স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে টেকসইভাবে উত্তরণ করতে পারে।

পঞ্চম প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মহামারিকালে প্রবাসীরা অপরিহার্য কর্মী হিসেবে স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জরুরি সেবাখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁরাও সম্মুখসারির যোদ্ধা। তবুও তাঁদের অনেকে চাকুরিচ্যুতি, বেতন কর্তন, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক সেবার সহজলভ্যতার অভাব ও বাধ্যতামূলক প্রত্যাবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সঙ্কটকালে অভিবাসীগ্রহণকারী দেশগুলোকে অভিবাসীদের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করার এবং তাঁদের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং কল্যাণকে নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
 

MRP/KHR

এই বিভাগের আরো খবর

প্রবারণা পূর্ণিমা আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বৌদ্ধ...

বিস্তারিত
বার্লিন থেকে লন্ডনে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জার্মানির রাজধানী...

বিস্তারিত
‘সাম্প্রদায়িকতা প্রতিহত করতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাম্প্রদায়িকতা,...

বিস্তারিত
হাসপাতালে আরও ১৫১ ডেঙ্গুরোগী 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীসহ...

বিস্তারিত
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ...

বিস্তারিত
লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম 

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবারও বেড়েছে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *