সাড়ে চারমাসে মসজিদের দানবাক্সে তিন কোটি টাকা

প্রকাশিত: ০৯:২৯, ১২ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ১০:১৫, ১২ নভেম্বর ২০২১

ফাহিম মোনায়েম: গত সাড়ে চার মাসে মসজিদের দান বাক্সে জমা হয়েছে তিন কোটিরও বেশি টাকা। এটি কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সের হিসাব। পাওয়া গেছে বিদেশী মুদ্রা, সোনা আর রুপার গয়নাও। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান, দানের টাকা বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। 

কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে নরসুন্দা নদীর তীরে এই মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ। স্থানীয় প্রবীন বাসিন্দারা জানান, ২শ বছরের পুরনো এই মসজিদটি ঘিরে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই।

মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলা হয় প্রতি তিন মাস পর। আর প্রতিবারই মেলে কোটি টাকার উপরে। করোনার কারণে এবার ৪ মাস ১৭ দিন পর খোলা হয় দানবাক্সগুলো। মসজিদের খাদেম, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ শতাধিক মানুষ। দিনভর গণনা করে ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পান। এছাড়া রয়েছে বিদেশী মুদ্রা, প্রায় ৪ কেজি সোনা, রয়েছে রূপার গায়নাও। মানুষের বিশ্বাস, কোনো আশা নিয়ে এই মসজিদে দান করলে তা পূরণ হয়। শুধু মুসলমান সম্প্রদায় নয়, আসেন অন্য ধর্মের মানুষও।

গত বছর এই মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রায় ৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছরে অক্টোবর পর্যন্ত তিন দফায় পাওয়া গেছে ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। 

কথিত আছে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ মাদুর পেতে নরসুন্দা নদীতে ভেসে এসে থামেন এই মসজিদটির কাছে। কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে। মন বাসনা পুরণ হবার আশায় বহু মানুষ এই মসজিদে দান করেন। 
 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...