অর্গানিক পণ্য উৎপাদন-রপ্তানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০২:৩৭, ১২ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৩:৫৮, ১২ নভেম্বর ২০২১

মেহের মণি: অর্গানিক পণ্যের উৎপাদন বদলে দিতে পারে কৃষিপণ্য রপ্তানি আয়ের চিত্র। বিশ্বে অর্গানিক পণ্যের বাজার ১০ লাখ কোটি টাকার। এতে বাংলাদেশের অংশ খুবই সামান্য। দেশের বাজারে অর্গানিক পণ্যের নামে যা বিক্রি হচ্ছে তা প্রকৃতপক্ষে কতটা অর্গানিক তা নিরিক্ষার জন্য সরকারের কর্তৃপক্ষ নেই। ফলে রপ্তানিও কম। 

মিজানুর রহমান একজন উচ্চ শিক্ষিত যুবক। ঢাকার অদূরে বিরুলিয়ায় মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে ৪ জন মানুষের একটি পরিবারের জন্য যত সব্জি, প্রাণিজ আমিষ এবং ফলমূল লাগবে তা চাষাবাদ করছেন সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে রাসায়নিক সার-বিষ প্রয়োগ ছাড়াই। ফলনও পাচ্ছেন ভাল। তিনি বলছেন, ঢাকা ও আশে-পাশের জেলা, বিভাগীয় শহরে এমন অনেক জায়গা পড়ে আছে দীর্ঘ দিন ধরে। এসব জায়গায় তার এই মডেলে চাষাবাদ বদলে দিতে পারে শহরের খাবারের যোগানের চিত্র। 

সারা বিশ্বেই রাসায়নিক সার ও কীটনাশক মুক্ত অর্গানিক খাবারের চাহিদা বাড়ছে। তবে দেশের শহরাঞ্চলে অর্গানিক পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

এসব খাদ্য প্রকৃতপক্ষে অর্গানিক কিনা? চাষাবাদে সেই মান বজায় রাখা হয়েছে কিনা তা পরিক্ষা করে দেখার কিংবা নিয়ন্ত্রনে সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ এখনও গড়ে উঠে নি। 

কৃষি পণ্যের রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশে উৎপাদনে সম্ভবনা রয়েছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদের ফলে উৎপাদন কমে যায়, দাম কয়েকগুন বেশি হওয়ায় বাণিজ্যিক লাভের পরিমাণ বেশি।  

অর্গানিক পণ্যের বিশ্ববাজার ১০ লাখ কোটি টাকার। যেখানে বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ কোম্পানি চা ও চিংড়ি অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ ও রপ্তানি করছে। এসব কোম্পানি অর্গানিক পণ্যের মান পরিক্ষার সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। 
 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...