সুর পাল্টাতে থাকে দেশবিরোধীরা 

প্রকাশিত: ১১:১৩, ২৬ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ১১:১৩, ২৬ নভেম্বর ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৬’শ ১০ তম প্রতিবেদন।

একাত্তর সালের নভেম্বরের শেষে দখলদার পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু দৃশ্যপটের নাটকীয় পরিবর্তন ঘটতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশের জয়ের আভাসে বাংলাদেশবিরোধী সংগঠনগুলো সুর পাল্টাতে শুরু করে। 

১৯৭১ সালের ২৬শে নভেম্বর পাকিস্তানের করাচীতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোকে সাক্ষাতকার দেন বাঙালি বিরোধী পাকিস্তান পিপলস পার্টি- পিপিপি’র প্রধান জুলফিকার আলী ভূট্টো। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা প্রবাহ উল্লেখ করে ভূট্টো বলেন, “যশোর মুক্তিবাহিনী কর্তৃক অবরুদ্ধ। রংপুর অঞ্চলে ২৫০ বর্গমাইল মুক্তিবাহিনী কর্তৃক অধিকৃত। পুরাতন পাকিস্তানের মৃত্যু হয়েছে। নতুন পাকিস্তান গড়ে তোলা যায় কিনা তা ১৯৭১ সালের মধ্যেই বোঝা যাবে।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

একাত্তরের বাংলাদেশে গণহত্যায় উন্মত্ত পাকিস্তানী সেনাদের প্রত্যক্ষ সহযোগী ইসলামী মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর এদেশীয় শাখা। তার প্রধান গোলাম আযম একাত্তরের এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখেন। বলেন, “আমার বন্ধু শেখ মুজিব কখনো বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিলেন না। ভূট্টো এবং অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দলগুলো তাকে বেকায়দায় ফেলেছে। পাকিস্তানের ভাগ্য এখন সম্পূর্ণ শেখ মুজিবের ওপরই নিহীত।” (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক)
 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...