দেশব্যাপী ইন্টারনেট গ্রাহকদের ভোগান্তি

প্রকাশিত: ০২:১৯, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৬:১৩, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১

ইউসুফ রানা: ইন্টারনেটে ধীরগতি, মাঝে মধ্যে সেবা বন্ধ থাকা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা না পৌঁছানোসহ নানা সমস্যায় জর্জড়িত দেশের ইন্টারনেট সেবা। এতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। তবে, ব্যক্তি শ্রেণীর গ্রাহকের চেয়ে বাণিজ্যিক গ্রাহকরা বেশি ভোগান্তির শিকার। সেবা দাতারা বলছেন, পর্যাপ্ত বিতরণ অবকাঠামো না থাকায় কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছেন না তারা। এদিকে, ইন্টারনেট সেবার মান বাড়াতে সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি বলে মনে করেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।  

ডিজিটাল দেশ গড়ার লক্ষে কাজ করছে সরকার। কিন্তু এর অন্যতম অনুষঙ্গ ইন্টারনেট সেবায় এখনও পিছিয়ে দেশ। ইন্টারনেটের গতি নিয়ে তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওকলার তথ্যমতে, মোবাইলে ইন্টারনেটের গতিতে বিশ্বে ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। আর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তালিকায় বাংলাদেশ ১৮০টি দেশের মধ্যে ৯৯তম।  দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিপুল জনগোষ্ঠী এখনও আধুনিক এই সুবিধার বাইরেই রয়ে গেছে।

যারা সেবা পাচ্ছেন তারাও ইন্টারনেটে ধীরগতি ও মাঝে মধ্যে সেবা বন্ধ থাকাসহ নানা সমস্যায় ভোগেন।সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বাণিজ্যিক গ্রাহকরা। ইন্টারনেটে ধীরগতির কারণে বহির্বিশ্বের গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ি সেবা দিতে পারছেন না তারা।

সেবাদাতারা জানান, সারাদেশে বিটিআরসির নিবন্ধিত ইন্টারনেট সেবাদাতার চেয়ে অবৈধ সেবাদাতার সংখ্যা বেশি, যা এ খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।

সেবার মান বাড়াতে, সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, মেয়াদ শেষে প্রজেক্টের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, সেবাদান আরো সহজ করা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গ্রাহক বৃদ্ধির সাথে সাথে সেবাদাতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি বলে মনে করেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

তিনি জানান, সরকারের ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল সংযোগ প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবার মান অনেক বাড়বে।

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...