শিশু তামীমকে এখনই ৫ লাখ টাকা দেবার নির্দেশ

প্রকাশিত: ০১:৫৯, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

আপডেট: ০১:৫৯, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র তামিম ইকবালের (১২) বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তার চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক পাঁচ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসাথে তাকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। তামিম রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর টবগী গ্রামের দিন মজুর শাহাদাত হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় কাটাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র।

আজ সোমবার (৬ই ডিসেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর চর টবগী গ্রামের একটি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। এরপর থেকে ওই খুঁটির বিদ্যুতের তারগুলো এলোমেলোভাবে নদীর পাড়ে পড়ে থাকে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা রামগতির পল্লী বিদ্যুৎকে অবগত করলেও তারা ঘটনাস্থলে আসেনি। দুদিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর স্কুলছাত্র তামিম নদীতে গোসল করতে গেলে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে মারাত্মক আহত হয়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে রামগতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ওই দিন রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

গত ২৬শে নভেম্বর সন্ধ্যায় তামিমের মা আমেনা বেগম অভিযোগ করেন, পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণে তার সন্তান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে। পরে তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের দাবিও জানান।

গত ২৫শে সেপ্টেম্বর দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পল্লীবিদ্যুতের অবহেলায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয় শিশু তামিম। দুই মাস ধরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে সে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় শিশু তামিমের বাম হাত পুরোপুরি কেটে ফেলা হয়েছে। কেটে ফেলতে হবে ডান পায়ের দুটি আঙুলও। এছাড়া ঝলসে যাওয়া শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরেছে। মাথার আঘাতও বেশ গুরুতর।

MHS/MSI

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...