পটুয়াখালীতে চালু হয়নি আরটিপিসিআর ল্যাব

প্রকাশিত: ০৮:৩৯, ১৫ জানুয়ারি ২০২২

আপডেট: ১০:৩৫, ১৫ জানুয়ারি ২০২২

পটুয়াখালী সংবাদদাতা: অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবলের অভাবে দুই বছরেও পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরটিপিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম শুরু হয়নি। তাই করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য এখনও জেলাবাসীকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। তাই অনেক সময়ই নমুনা পরীক্ষা করাতে ও ফল পেতে বিলম্ব ঘটছে। করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রন এর সংক্রমণ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা জেলার বাসিন্দাদের। 

করোনা আক্রান্ত কি না তা নিশ্চিত হতে নমুনা পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালীর বাসিন্দাদের নির্ভর করতে হয় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর। নমুনা সংগ্রহের পর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পেতে অনেক সময় ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্তলেগে যায়। ফলে রোগীর চিকিৎসা কিংবা তার সংস্পর্শে আশা মানুষদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই সংকট দূর করতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলো সরকার। কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও ল্যাবে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল। ফলে ল্যাবটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে পটুয়াখালীতে রেপিড এন্টিজেন্ট টেস্ট ও জিনএক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে করোনা শনাক্ত করা হয়। দীর্ঘদিন পটুয়াখালীতে শনাক্ত ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে আবারও আক্রান্তের হার বাড়ছে। তাই দ্রুত আরটিপিসিআর ল্যাবটি চালুর দাবি জেলাবাসীর। 

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরটিপিসিআর ল্যাব চালু করতে যন্ত্রপাতির পাশাপাশি ৮ জন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, ৪ জন ডাটা এন্ট্রি অপরেটর, ৪ জন অফিস সহায়ক এবং ৪ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়োজন। এসব চাহিদার কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে বলে জানালেন মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান। 

এই পিসিআর ল্যাবটি চালু করতে পারলে পটুয়াখালী জেলায় দ্রুত করোনা শনাক্তের পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।  

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...