জননেত্রীর জন্যে পংক্তিমালা আপডেট: ০৩:৪৪, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

।। জ্যোতির্ময় নন্দী ।।

১.

তোমার প্রজ্ঞাময় দৃষ্টি জানি দূরে, বহুদূরে প্রসারিত 
তুমিই করবে জানি, জাতির চলার পথ চিরঅবারিত। 
কী দেখিতে পাও দূরে, আলো? নাকি বড় অন্ধকার? 
খুলে দাও, তুমিই খুলতে পারো চিরবন্ধ দ্বার।

 

২.

চশমার ভারী কাঁচ ঝাপসা হয়ে আসে অশ্রুজলে 
স্মৃতিরা কাঁদায় জানি বিষাক্ত সাপের ছোবলে। 
বার বার আঘাত এসেছে জানি তোমায় কাঁদাতে 
চোখ মুছে ফের দাঁড়িয়েছ, দমো নি তো কোনোই বাধাতে।

৩.

জাতির ভবিষ্যত ভাবনা আনে মসৃণ কপালেও গভীর কুঞ্চন 
দুঃসময় করে তোলে বার বার তোমাকেও উতলা উন্মন। 
এই ঘোর ক্রান্তিকালে হে বঙ্গতনয়া, একমাত্র তুমিই কাণ্ডারী 
তোমার নায়েই দেবে জাতি এই উন্মাতাল পারাবার পাড়ি।

৪.

আসে সংশয়, বৈরী সময়, হায়েনারা করে গর্জন   
জনকের বাণী, আছে আছে জানি, দেবে দিগ্দর্শন। 
তোমার ধৈর্য, তোমার প্রজ্ঞা শুধু আমাদের পুঁজি 
আমরা কাউকে বুঝি না, শুধু তোমাকেই ঠিক বুঝি।

 

৫.

মাটির কন্যা তুমি অনন্যা, এই টোকা তার প্রতীক 
মাথায় পড়েছ সেই টোকা, যেন কৃষকতনয়া ঠিক। 
কৃষিই সচল রেখেছে এ দেশে অর্থনীতির চাকা 
চাষীর টোকার মধ্যে জাতির রাজার মুকুট রাখা।

৬.

তোমার হাসিতে নতুন সূর্যোদয় 
তোমার হাসিতে চিরদিন বরাভয়। 
দুঃখসাগর পেরিয়ে হাসিনা হাসে 
বাংলা বাঙালি সুখের সাগরে ভাসে।

 
ছবি: দেবপ্রসাদ দাস দেবু