আইটি সেক্টরে যুগান্তকারী পরিবর্তনের দ্বার খুললো দক্ষিণাঞ্চলে আপডেট: ০৭:৫৬, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কুয়াকাটায় দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আইটি সেক্টরে যুগান্তকারী পরিবর্তনের দ্বার খুলে গেলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই স্টেশনের কারণে দক্ষিণাঞ্চলে আইটি পার্কসহ প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসারও সম্প্রসারণ হবে। আর প্রয়োজন মিটিয়ে রপ্তানিও বাড়ানো যাবে।  গতকাল রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ল্যান্ডিং স্টেশনের উদ্বোধন করেন।

দেশের প্রায় সাত কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর প্রয়োজন মেটাতে প্রয়োজন ৪১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। কিন্তু প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এতদিন পাওয়া যেত ৩০০ জিবিপিএস। তবে কুয়াকাটায় রোববার দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধন হওয়ার পর বাংলাদেশ এখন ১৮০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথের মালিকানা অর্জন করলো। ফলে প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি বাড়ানো যাবে রপ্তানিও।

বিএসসিসিএল’র এমডি মো. মনোয়ার হোসেন জানান, সরকারের এটা সঠিক সময়ে একটা চমৎকার প্রজেক্ট ছিলো। পৃথিবীর মধ্যে এটা সবচেয়ে আধুনিক ও উর্ধ্বগতি সম্পন্ন ক্যাবেল।

দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে নিশ্চিত হলো উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে আইটি পার্কসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসার সম্প্রসারণ হবে বলে ধারণা করছে বিএসসিসিএল’র জিএম মশিউর রহমান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ার এই সুবিধা কাজে লাগাতে হলে  মোবাইল কোম্পানী ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এদিকে সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনীতিবিদরা।