সীমান্ত শিথিল জেনে আরো হাজার হাজার রোহিঙ্গা ঢুকছে বাংলাদেশে আপডেট: ০২:৪৬, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বন্ধ হচ্ছে না মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল। কক্সবাজারের উখিয়ায় বিশাল পাহাড়ি এলাকায় লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ন্ত্রণ ও তাদের খাদ্য ও পানির ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। আজ বুধবার বৃষ্টিতে দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়।

এদিকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ৪৩টি দেশের কূপনীতিকরা। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ায় তাঁরা বাংলাদেশের প্রশংসা করেন এবং তাদেঙ্কে ফেরত পঠাতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে বলে জানান।

সীমান্ত শিথিল জেনে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে আরো হাজার হাজার রোহিঙ্গা আসছে বাংলাদেশে। আজকেও কক্সবাজারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখা যায় রোহিঙ্গাদের।

টেকনাফ ও উখিয়ার বালুখালির পাহাড়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, পানীয় ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী দিচ্ছে সরকারি-বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. এইচ. মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে উখিয়া গেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ৪৩টি দেশের কূটনীতিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও। কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন তাঁরা।

পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে তাদের সরকারকে অনুরোধ জানাবেন কূটনীতিকরা। তিনি বলেন, "মিয়ানমারের এই আচরনে মানবতার যে ক্ষতি হচ্ছে, প্রতিনিধিরা সেটা সচক্ষে দেখছেন। তাঁরা তাঁদের সদরদপ্তরে আশা করি বার্তাটা পৌঁছাবেন যে, এই শণার্থীদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতেই হবে।" 

এর আগে কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। তিনি জানান, সংকট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।সিংক : ওবায়দুল কাদের

এদিকে, উখিয়ার বালুখালীতে নতুন আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক্স নিবন্ধন কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।