অর্থ পাচারকারীদের কেউই ছাড় পাবে না: প্রধানমন্ত্রী আপডেট: ০৮:৩৬, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানান তিনি। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে  শুরু হয় জাতীয় সংসদের অধিবেশন। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথমেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ৩০ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্ব।

সাংসদ রুস্তম আলী ফারাজীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়া সরকারের অন্যতম প্রতিশ্র“তি। তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেক মানুষ আগে দারিদ্র সীমার নিচে যেখানে বাস করতো, আজকে তারা দারিদ্র সীমা থেকে ধীরে ধীরে উছে আসছে। তারা দারিদ্র সীমা থেকে উঠে আসুক, এদেশের মানুষ উন্নত জীবন পাক সেটাইতো আমাদের লক্ষ্য। কাজেই সেই লক্ষ্য নিয়ে এবং গবেষণার মাধ্যমে মানুষের আরও উন্নতি হোক সেটাই আমরা চাচ্ছি।”

জিয়া পরিবারের বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া ও তার ছেলেদের বিদেশে পাচার করা অর্থের তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। প্রমাণিত হলে তারা কেউই ছাড় পাবেনা।

তিনি বলেন, “আর্থ-সামাজিক অবনতি ঘটেছিলো। বিএনপি জামায়াতের আমলে উন্নতি হয়নি। যাই হোক আমরা জনগণের সম্পদ যারা লুটে নিয়েছে, নিশ্চয়ই তাদের রিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এই টাকা তদন্ত করে যখনই আমরা সঠিক তথ্য পাবো  এবং কোথায় কীভাবে আছে, নিশ্চয়ই আমরা তা ফেরত আনার পদক্ষেপ নেবো।”

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কাজ বাস্তবায়ন হলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।