রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মিতা: জন্মদিনে কেক কাটলেন না শেখ রেহানা আপডেট: ০৮:৪৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা  গতকাল  তার জন্ম দিনের কেক কাটেননি। করেননি কোন আনুষ্ঠানিকতা। রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মী হয়ে তিনি এ মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে রান্না করা খাবার পাঠানো হয়েছে এতিমখানায়।

এ তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল।

গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

শেখ রেহানা এ বছর বাষট্টি বছর পূর্ণ করলেন। ১৯৫৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্ম নেন তিনি।

গত মঙ্গলবার উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গিয়ে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণ করেন শেখ রেহানা। এসময় রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের দুর্দশার কথা শুনে তিনি অশ্রুসিক্ত নয়নে তাদের বুকে জড়িয়ে ধরেন।

সাংবাদিকদের পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি সহমর্মী হয়ে শেখ রেহানার এবারের জন্মদিনে কোনো  আনুষ্ঠানিকতা করেননি । জন্মদিন উপলক্ষে যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো, সেগুলো এতিমখানায় পাঠানো হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর বিপথগামী একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের জাতির পিতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে।

বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে সেসময় বেলজিয়ামে ছিলেন শেখ রেহানা। শেখ হাসিনার স্বামী এম. ওয়াজেদ মিয়ার কর্মস্থল ছিল জার্মানির কার্লসরুয়ে। সেখান থেকে পরে ভারতে চলে যান দুই বোন।