ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-19

, ৬ জিলকদ্দ ১৪৩৯

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের প্রবেশ অনেকটা কমেছে গত কয়েকদিনে

প্রকাশিত: ১০:২১ , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১০:২১ , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা শুরুর পর পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা গত কয়েকদিনে উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো।

তবে, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বলছে,একথা বলার সময় এখনো আসেনি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমনপীড়ন থেকে বাঁচতে গেলো ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চার লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এদিকে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ৭টি দেশের আহ্বানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে বসবে চলতি সপ্তাহে।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো বলছে, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের সংখ্যা গত কয়েকদিনে লক্ষণীয় রকমে কমে গেছে।

তবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আই ও এমের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, মিয়ানমার ছেড়ে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসা যে একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে এমন কথা বলার সময় এখনো আসে নি।

মুখপাত্রটি বলেন, সীমান্ত এলাকার কাছে মাঠ পর্যায়ে তাদের যে দলগুলো কাজ করছে, তারা পালিয়ে আসা লোকের সংখ্যা নিশ্চিতভাবেই কমেছে বলে খবর দিচ্ছে।

বিবিসি সংবাদদাতা জিল ম্যাকগিভারিং বলেছেন, এর সাথে বাংলাদেশের কোস্টগার্ডদের বক্তব্যের মিল রয়েছেচ, যারা বলছে গত কয়েকদিনে তারা নদী পার হয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীবাহী কোনো নৌকা আসতে দেখে নি।

গতকাল রোববার প্রকাশ করা 'ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ'-এর এক বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়, গত দুদিনে সীমান্ত পার হয়ে আসা লোকের সংখ্যা কমেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, অল্প সংখ্যক লোক এই সময়ে কক্সবাজারে এসেছে বলে লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আগত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার।

অন্যদিকে মিয়ানমারে কর্মরত একটি ত্রাণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির প্রধান এবং সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যা্ন্ড বলেছেন, যেসব দেশ বর্মী সেনাবাহিনীকে সমর্থন দেয় তাদের উচিত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধের জন্য তাদের প্রভাবকে কাজে লাগানো।

তিনি বলেন, এ সমর্থনকে মানবাধিকার লংঘনের কাজে ব্যবহার করা চলে না।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে তাতে সেখানে 'জাতিগত শুদ্ধি অভিযান' চলছে বলে অভিযোগও উঠেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য 'বিশাল পরিমাণে' আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন।

শরণার্থী সংক্রান্ত জাতিসংঘের হাই কমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডি কক্সবাজারের শরণার্থী সংস্থা বলেছেন, এ এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

এই বিভাগের আরো খবর

পাবনায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ৫০ হাজার মানুষের চলাচল

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা সদরের কামারডাংগা-চরপাড়া সংলগ্ন ছোট নদীর উপরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজারো মানুষ। আশপাশের ১০ গ্রামের...

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। লালমনিরহাট, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি...

চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ধর্মঘট স্থগিত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। দুপুরে, বেসরকারি হাসপাতাল...

রোগীদের জিম্মি করা কাম্য নয়- বিএমএ কেন্দ্রীয় নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোগীদের জিম্মি করে দাবি আদায় কোনভাবেই কাম্য নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলন ও বিএমএ কেন্দ্রীয় নেতারা।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is