ঢাকা, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮, ৬ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-20

, ৭ জিলকদ্দ ১৪৩৯

সর্বস্তরে তথ্যের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি  

প্রকাশিত: ০৭:৪২ , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৭:৪২ , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তথ্য জানা ও পাওয়ার পথ আরো সহজতর করে সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

'আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে গতকাল বুধবার  এক বাণীতে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে এ দিবস পালিত হচ্ছে।

তথ্যে প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সাধন-- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০১৭ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, তথ্য পাওয়া ও জানা মানুষের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানে তথ্য জানার অধিকার মানুষের অন্যতম মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে জনগণের চিন্তা ও বিবেক, বাক্ ও ভাবপ্রকাশ এবং সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

সরকার জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। তথ্য জানার অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়েই বর্তমান সরকার 'তথ্য অধিকার আইন ২০০৯' প্রণয়ন করেছে এবং এ লক্ষ্যে তথ্য কমিশন গঠন করেছে। ফলে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, তথ্যই শক্তি। তথ্য মানুষকে সচেতন করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ যেমন নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক, তেমনি তা সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের ক্ষমতায়নকে প্রতিষ্ঠা করে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের তথ্য অধিকার ও তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, সরকারি অফিসগুলোতে ওয়েব পোর্টালের পাশাপাশি নতুন নতুন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, বেতার ও কমিউনিটি রেডিও এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।

তথ্য অধিকার আইনের সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সম্পর্কে স্বচ্ছধারনা পাচ্ছে এবং দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে। “আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস” পালনের মাধ্যমে তথ্য অধিকার সম্পর্কে জনসচেতনতা আরো বৃদ্ধি পাবে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে এবং জনগণের ক্ষমতায়ন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনগণ ও সরকারের মধ্যে আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে তথ্য কমিশন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত করতে তথ্য কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

মাছের বাজার চড়া, ক্রেতারা হতাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কাঁচাবাজারে বেশীর ভাগ সবজিই কেজিতে প্রায় তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে। এছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেয়াজের দাম...

কোটা আন্দোলন ‘বিএনপি-জামায়াতের ধূর্ত পরিকল্পা’: কূটনীতিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদকঃ সরকার মনে করে, দেশের বর্তমান স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি ব্যাহত করতে চাওয়া ‘বিএনপি-জামায়াতের ধূর্ত পরিকল্পনায়’ পরিণত...

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যদূত রুশনারা আসছেন শনিবার

কূটনৈতিক প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক কীভাবে আরো জোরদার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার রাতে...

ইসি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে: আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ বছরের শেষ দিকে সকল রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও অন্যান্য অংশীদারদের সমর্থনে একটি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is