করোনা সাধারণ ফ্লু রোগে পরিণত

প্রকাশিত: ০৮-০৩-২০২৩ ১৪:২৭

আপডেট: ০৮-০৩-২০২৩ ১৬:০৩

লাবণী গুহ : বৈশ্বিক অতিমারী করোনায় দেশের মানুষের আক্রান্ত হওয়ার তিন বছরের মধ্যে মারা গেছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। দেশের ১৫ কোটি মানুষ গত তিন বছরে করোনার টিকা পেয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একক কোন টিকা বিশ্বে স্বীকৃত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছর করোনার টিকা নিতে হতে পারে। করোনা মোকাবেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎতে যেকোন মহামারী মোকাবেলায় সহায়ক হবে বলে জানান তারা। আরো জানাচ্ছেন ।

২০১৯ সালের শেষ প্রান্তে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। তিন বছর পরেও পৃথিবী করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছে এমন কোন ঘোষণা এখনো দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম তিন জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত ২০ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আর, ১৮ই মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যু ঘোষণার পর এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ হাজার ৪৪৫ জন।

করোনা অতিমারীর সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানান অসঙ্গতি সামনে উঠে আসে। হাসপাতালে বিছানা না থাকা, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, লোকবল সংকট, অভিজ্ঞতা ও  ব্যবস্থাপনার ত্রুটিসহ স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতির চিত্রও সামনে চলে আসে।

সংক্রমণ ছড়ানোর এক বছর পর ২০২১ সালের ২৭শে জানুয়ারি টিকা দেয়া শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১৫ কোটির বেশি মানুষ, দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১৪ কোটির কিছু বেশি। আর বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৬ কোটির বেশি মানুষ। এছাড়া, চতুর্থ ডোজ নেয়ার সংখ্যা খুবই কম, মাত্র ৬ লাখ। চতুর্থ ডোজ টিকা নিতে মানুষ আগ্রহ না দেখালেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হতে পারে।

প্রতি ৪০ বছরের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নতুন একটি ভাইরাস মহামারী হিসেবে আসে। করোনার অভিজ্ঞতা সেই মহামারী মোকাবেলায় কাজে আসবে বলে মনে করেন তারা।

 

LGR/shimul