দেশে যক্ষায় প্রতিদিন ১০৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১১:৩১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আপডেট: ১১:৩১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে এখনো প্রতিদিন ১০৭ জন রোগী যক্ষায় মারা যান। আর নতুন করে রোগী সনাক্ত হন ৯৮৭ জন। আজ (সোমবার) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘কোভিড প্রেক্ষাপটে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। জাতীয় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক’ এর আয়োজনে এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় বক্তারা জানান, করোনা অতিমারির কারণে গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত যক্ষা রোগী সনাক্ত কার্যক্রম কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে। সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে বলে জানান জাতীয় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রামের কর্মকর্তারা। এদিকে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৯০০ যক্ষা রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে একজনের দেহে। যক্ষা এবং করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই বলেও জানানো হয় বৈঠকে।

সকালে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের যক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক মাহফুজা রিফাত। এসময় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর শামিউল ইসলাম জানান, একজন যক্ষা রোগী থেকে কমপক্ষে ছয় জনের মধ্যে রোগটি ছড়াতে পারে। তাই কোথাও একজন যক্ষা রোগী পাওয়া গেলে তার সাথে সম্পৃক্তদের পরীক্ষা করাতে হবে। তবে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমাদের দেশে যক্ষা নির্মূল যথেষ্ট সফল বলেও জানান শামিউল ইসলাম। 

তিনি বলেন, যক্ষা শনাক্তকরণই বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কেননা যক্ষায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে  ৯৬ শতাংশ সাফল্য এসেছে। জটিল যক্ষা রোগ নির্ণয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একশ’ উপজেলায় ডিজিটাল এক্সরে স্থাপন করা হবে। 

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বলেন, দেশ থেকে যক্ষা নির্মূল করা জরুরি হলেও দিনে দিনে এর জটিলতা বাড়ছে। বিশেষ করে হাড়, অন্ত্র, জরায়ু এবং অস্ত্রোপচারস্থলে যক্ষার সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে, যা নির্ণয় করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে অস্ত্রোপচার সংক্রান্ত যক্ষা নির্ণয় ও প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে। 

গোল টেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল টিউবারক্লোসিস প্রোগ্রামের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. রুপালী শিশির। তিনি জানান, গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট ২০২০ অনুযায়ি বাংলাদেশে মোট ২ লাখ ৯২ হাজার ৯৪২ জন য²ারোগী শনাক্ত হয়েছে। 

এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের যে ৩০টি দেশে যক্ষা রোগী বেশি, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। তবে নিয়মিত ও নির্দিষ্ট মেয়াদে ওষুধ খেলে সব ধরণের যক্ষা রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসায় সাফল্যের হার প্রায় ৯৬ শতাংশ। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে য²া আক্রান্ত রোগীদের পরীক্ষা বাড়ানোর কোনও বিকল্প নেই। 

এই বিভাগের আরো খবর

সর্দি-কাশির চিকিৎসায় ‘জোয়ানের কাড়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক: এখন বিশ্বময় করোনার...

বিস্তারিত
বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দূর করতে ‘আখরোট’

অনলাইন ডেস্ক: আখরোট এক ধরনের বাদাম।...

বিস্তারিত
ক্যানসারসহ নানা রোগের চিকিৎসায় ‘আনারস’

অনলাইন ডেস্ক: আনারস মিষ্ট আর রসালো...

বিস্তারিত
ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ দূরে রাখে ‘ঢেঁড়স’

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে এমন পরিবার...

বিস্তারিত
মসুর ডাল খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: ডালের কথা মনে হলেই...

বিস্তারিত
সারাদেশে আজ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা: স্বাস্থ্যবিধি...

বিস্তারিত
শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক: শ্বেতী রোগ এক ধরনের...

বিস্তারিত
অ্যাজমা প্রতিরোধে ‘ইউক্যালিপটাসের চা’

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাঁপানি বা অ্যাজমা...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *