‘বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম রক্তক্ষয়ী’

প্রকাশিত: ১০:৪১, ১৬ এপ্রিল ২০২১

আপডেট: ১১:৪২, ১৬ এপ্রিল ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ এর আজ ৩৮৬ তম প্রতিবেদন।

একাত্তর সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকার,আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর দৌরাত্ম্য বাড়তে থাকে। ১৯৭১ সালের ১৬ই এপ্রিল, নবগঠিত শান্তি কমিটির প্রধান নুরুল আমীনের নেতৃত্বে পাকিস্তানপন্থী নেতৃবৃন্দ গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানের সাথে দেখা করতে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিহত করতে এবং পাকিস্তানবিরোধীদের খুঁজে বের করতে সহযোগিতা করার ব্যাপারে পাকিস্তান প্রশাসনের কাছে প্রতিশ্র“তি দেয় শান্তি কমিটির নেতারা।

এদিন, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, বেনাপোল ও কসবা সীমান্তে সারাদিন ধরে মুক্তি বাহিনী ও পাকিস্তানী শত্র“ সেনাদের  মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। মুক্তিবাহিনী কুমিল্লা-ত্রিপুরা সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হামলা প্রতিহত করে। ভারতীয় গোলন্দাজ বাহিনী গোলাবর্ষণ করে এ হামলায় সহযোগিতা করে। 

একাত্তরের ১৬ই এপ্রিল আকাশবানী কলকাতা থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণণা প্রচার করা শুরু হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নারকীয় গণহত্যাযজ্ঞের বিবরণ বিশ্ববাসীকে জানানোই ছিল এসব জবানবন্দী সম্প্রচারের উদ্দেশ্য। 

এদিন ব্রিটেনের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা নিউ স্টেটসম্যানের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত “দি ব্লাড অব বাংলাদেশ” শীর্ষক সম্পাদকীয়তে বলা হয়, “রক্তের বিনিময়ে যদি স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়, তাহলে বাংলাদেশ অত্যাধিক রক্ত দিয়েছে। জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সরকারের পতন ও দেশের সীমানা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে যেসব সংগ্রাম পরিচালিত হয়েছে তাদের মধ্যে পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ও স্বল্পকাল স্থায়ী বলে প্রমাণিত হতে পারে। পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম সাময়িকভাবে পরাজিত হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই সংগ্রাম ন্যায়সংগত বলে স্বীকৃতি পাবে।”

HIB/RB

এই বিভাগের আরো খবর

পাকিস্তানকে সহযোগিতা বন্ধের দাবি ওঠে

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
আখাউড়া চেকপোস্ট দখল করে নেয় পাকবাহিনী

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
‘পাকিস্তানের মূল প্রতিপক্ষ ছিলেন বঙ্গবন্ধু’

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
আমেরিকার সহায়তা চেয়ে বার্তা পাঠান ইয়াহিয়া খান

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণের তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছিলো’

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন দলমত নির্বিশেষে সকলের নেতা’

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *