দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের ৯৭ ভাগ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে

প্রকাশিত: ১২:৫৮, ১৩ মে ২০২১

আপডেট: ১০:৪৯, ১৩ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: এখন পর্যন্ত দেশে যারা করোনার টিকা নিয়েছেন, তাদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে আইইডিসিআর দেখেছে, প্রায় সবার শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ টিকা গ্রহীতাদের পরবর্তীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে গেছে। যদিও টিকার ফলে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি কতদিন স্থায়ী হবে কিংবা করোনাভাইরাসের পরিবর্তিত নানা রূপ টিকা ঠেকাতে পারবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয় বলে স্বাস্থ্যবিধি মানার উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক গবেষণা চালিয়ে আইইডিসিআর দেখছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড টিকা নেওয়ার এক মাসের মধ্যে ৯২ শতাংশ এবং দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এমন টিকাগ্রহীতাদের শরীরে চার গুণ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

টিকাগ্রহীতাদের দেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পরীক্ষার ফল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।

বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এ পর্যন্ত ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৫ জন মানুষকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৯১২ জন। 

এই গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর বলছে, কোভিশিল্ড গ্রহণকারী ১২০ জনের মধ্যে  এক মাস পর ৯২ শতাংশ এবং দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

“অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে সব বয়সী মানুষের শরীরে। অন্যান্য অসুস্থতা থাকা বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। টিকাগ্রহীতা, যাদের মধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের শরীরে চারগুণ বেশি অ্যান্টবডি তৈরি হয়েছে।”

“এতে প্রতীয়মাণ হয়, বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণের পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে,” উপসংহার টেনেছে আইইডিসিআর।

সংস্থাটি বলছে, চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকাগ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, কারও দেহে কোনো ভাইরাস কিংবা জীবাণুর সংক্রমণ হলে এর বিরুদ্ধে লড়তে শরীরই এক পর্যায়ে প্রতিরোধী ব্যবস্থা তৈরি করে নেয়, যাকে বলে অ্যান্টিবডি। এই অ্যান্টিবডি পরবর্তী সময়ে একই ধরনের জীবাণু দেখলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা প্রতিরোধ করে। টিকার মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সেই অ্যান্টিবডি তৈরি করা হয়, যা একই কাজ করে।

MSI/MSI

এই বিভাগের আরো খবর

সিনোফার্ম-ফাইজারের টিকা প্রদান ১৯শে জুন শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা: আগামী ১৯শে জুন থেকে...

বিস্তারিত
সারাদেশে গ্যাসের সংকট থাকবে ৩ দিন

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাগরে বৈরী...

বিস্তারিত
করোনায় আরো ৫৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩০৫০

নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায়...

বিস্তারিত
ইলেকট্রনিক বর্জ্যে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ছে 

ইউসুফ রানা: দেশে ইলেক্ট্রনিক পণ্যের...

বিস্তারিত
আরো কয়েকদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌসুমী বায়ু ও সাগরে...

বিস্তারিত
ঢাকায় পৌঁছেছে চীনের ৬ লাখ ডোজ টিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চীনের উপহার দেয়া ৬...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *