সুস্থ থাকতে চাই পরিচ্ছন্নতা

প্রকাশিত: ০৭:২৫, ০৯ জুন ২০২১

আপডেট: ০৭:২৫, ০৯ জুন ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: সুস্থ থাকতে ও ত্বক ভালো রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা উচিত। বাইরে থেকে ফিরে গোসল করা অবশ্যই ভালো অভ্যাস। সারাটা সময় বাসায় কাটিয়ে দিলেও দিন শেষে দেহের কয়েকটি অংশ পরিষ্কার করা অবশ্যই উচিত বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা ।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সন্ধ্যায় গোসল করা ত্বকের জন্য ভালো। এতে ত্বকে জমে থাকা সারাদিনের ঘাম, ধুলাবালি, জীবাণু ইত্যাদি দূর হয়। ঘুমের আগে রাতে গোসল করা ত্বক পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সারা রাত ত্বক পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে।

দেহের যে সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত সেগুলো হল:

পায়ের পাতা
পায়ের মৃত কোষ ও ঘামের কারণে ফাঙ্গাস ও দুর্গন্ধ দেখা দেয়। পায়ের দুর্গন্ধ দূর করার জন্যই কেবল তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি নয়। পায়ের ফাঙ্গাস, নখ ও গোড়ালিতেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। ফলে অনেক সময় সার্জারির মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়।  পায়ের পাতা ভালো রাখতে তা স্ক্রাব করা উচিত। তবে কেবল গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রেখে পরিষ্কার করলে হবে না। নখের নিচ ও আংগুলের মধ্যে ফাঙ্গাস দেখা দিতে পারে এবং তা পরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এছাড়াও পায়ের গোড়ালি, আঙ্গুল ও পাতা আর্দ্র রাখা এবং ফাটল এড়াতে এর যতœ নেওয়া উচিত।

কানের পেছনের অংশ
কানের পেছনের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার না করলে সংক্রমণ বা চর্মরোগ হতে পারে। না হলেও দুর্গন্ধ হবেই। তাই অবহেলা না করে শুরুতেই এর প্রতি সচেতন হওয়া উচিত। কানের পেছনের ভাঁজযুক্ত অংশে অনেক তেল গ্রন্থি রয়েছে। এতে ঘাম ও সেবাম জমে। যা পরে ব্যাক্টেরিয়াতে পরিণত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এগুলো খুবই স্বাভাবিক বিষয়। তাই নিয়মিত কানের পেছনের অংশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। 

জিহ্বা
প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করার সময় জিহ্বা পরিষ্কার করতে হবে। দাঁত ভালো রাখতে সবাই প্রতিদিন ব্রাশ করেন এবং ফ্লস ব্যবহার করেন। কিন্তু অধিকাংশই জিহ্বা পরিষ্কারের বিষয়টা এড়িয়ে যান। এতে মুখে ব্যাক্টেরিয়া জন্মিয়ে দুর্গন্ধ দেখা দেয়। এছাড়াও দাঁতের বিবর্ণতা, এমনকি স্বাদগ্রন্থির দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে। অধিকাংশ ব্রাশের পেছনের অংশে জিহ্বা পরিষ্কার করার অংশ যোগ করা থাকে। এর নিয়মিত ব্যবহার মুখ পরিষ্কার ও সুস্থ রাখে।

বাহুমূল ও পায়ের সংযোগ স্থল
বাহুমূল বা বগল এবং পায়ের সংযোগ স্থল কখন পরিষ্কার রাখা উচিত তা নিজেই বুঝতে পারবেন। তবে এই দুই জায়গাই সংবেদনশীল ও লোমশ হওয়াতে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব জায়গায় অধিকাংশ জীবাণু আটকে গিয়ে ঘাম সৃষ্টি করে। এছাড়াও লোম ও গরমের কারণে ঘাম বা আর্দ্র আবহাওয়া থেকে সংক্রমণ দেখা দেয়। যদিও, ডিউডোরেন্ট ব্যবহার ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে। তবে এসব স্থানে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ কমাতে প্রতিদিন অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো মতো গোসল করা প্রয়োজন। আর শুকনা রাখা জরুরি।
 

MHS/KHR

এই বিভাগের আরো খবর

গমের রুটির যত উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: নিয়মিত গমের রুটি খেলে...

বিস্তারিত
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রসগোল্লা 

অনলাইন ডেস্ক: রসগোল্লা খেতে পছন্দ...

বিস্তারিত
কেক তৈরি করুন কলা দিয়ে

অনলাইন ডেস্ক: সকাল বা বিকেলের নাশতায়...

বিস্তারিত
গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

অনলাইন ডেস্ক: পাটিসাপ্টা বাংলার...

বিস্তারিত
ডিমের খোসা দিয়েই ফেসপ্যাক

অনলাইন ডেস্ক: ডিম খেয়ে এর খোসা অনেকেই...

বিস্তারিত
মাংসের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার

অনলাইন ডেস্ক: আচার খেতে কে না পছন্দ...

বিস্তারিত
কলিজার বারবিকিউ কাবাব তৈরির রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক: গরু বা খাসির কলিজা খেতে...

বিস্তারিত
যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক: খাবার সতেজ রাখার জন্য...

বিস্তারিত
কলিজার সিঙ্গারা বানাবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক: মজাদার কলিজার সিঙ্গারা...

বিস্তারিত
গরুর মাংসের মুঠো কাবাব 

অনলাইন ডেস্ক: ঈদে সুস্বাদু সব কাবাব...

বিস্তারিত
ব্রণ সারাতে করণীয় 

অনলাইন ডেস্ক: তৈলাক্ত ত্বক ব্রণ হওয়ার...

বিস্তারিত
মজাদার মাটন সুখা

অনলাইন ডেস্ক: আসছে কোরবানির ঈদ।...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *