‘গেরিলা অপারেশনে মালিবাগ পাওয়ার হাউজ বিধ্বস্ত হয়’

প্রকাশিত: ১০:৫৯, ১৯ জুলাই ২০২১

আপডেট: ১১:৩৪, ১৯ জুলাই ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৪’শ ৮০ তম প্রতিবেদন। 

একাত্তর সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশে দখলদার পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে বাঙালিরা যে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে, ক্রমেই সেই লড়াই সারাদেশে ছড়িয়ে পরে এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদেও মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী হানাদারদের হটাতে জীবনপণ করে সশস্ত্র লড়াই চালায়।    

ঢাকা শহরে এতদল তরুণ মুক্তিযোদ্ধার গেরিলা বাহিনী গড়ে ওঠে। ছোট পরিসরে সেই গেরিলা যুদ্ধের জন্য জুন মাসের প্রথমার্ধে মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে গঠিত হয় ক্র্যাকপ্লাটুন। যার সদস্য ছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ছেলে শাফী ইমাম রুমি, শহীদ বদিউল আলম বদি, শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ আরও বহু বাঙ্গালি ছাত্র-তরুণ। একাত্তরের মধ্য জুলাইয়ে ক্র্যাক প্লাটুন শুধূ ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে আশা সঞ্চারকারী পরিচিত নাম হয়ে ওঠে। ক্র্যাকপ্লাটুনের বীরত্বগাথা মানুষের মুখে মুখে ফিরতে থাকে।

১৯৭১ সালের ১৯শে জুলাই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের এক সংবাদে বলা হয় হয়- “ঢাকায় দিনে রাতে বোমাবাজী চলছে। গেরিলা অপারেশনে মালিবাগ পাওয়ার হাউজ বিধ্বস্ত। শহরের উত্তর অঞ্চল অন্ধকারে নিমজ্জিত। পানি সরবরাহ বন্ধ প্রায়। মুক্তিবাহিনীর ক্র্যাক প্লাটুন বীরত্বপূর্ণ অপারেশন করে রাত সাড়ে আটটায়। অপারেশন শেষে গেরিলা দল রামপুরার বিল সাঁতরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে যায়।” (সূত্রঃ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) 

একাত্তর সালের এদিন, পাকিস্তানের করাচীতে সংবাদ সম্মেলন করেন বাঙ্গালি বিরোধী পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো। ক্ষমতা হস্তান্তর প্রসঙ্গে দখলদার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানকে উদ্দেশ্য করে ভূট্টো বলেন, “আমার হাতে ক্ষমতা দিন। এভাবে চলাটা আমি আর বেশিদিন সমর্থন করবো না।” (সূত্রঃ পাকিস্তান অবজারভার)

HIB/MSI

এই বিভাগের আরো খবর

শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে হবে- জাতিসংঘে ভারত

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
পাকিস্তান রক্ষার অঙ্গীকার রাজাকার গোলাম আযমের

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধুর ভাষণই ছিলো রণাঙ্গনের শক্তি

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
‌'বঙ্গবন্ধুর বিরল রাজনৈতিক গুণাবলী ছিলো'

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ করছে বাঙালীরা

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনন্য’

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
 ‘শেখ মুজিবের দেশে ফেরা নিয়ে উৎকণ্ঠা’ 

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
জাতিসংঘে বাংলাদেশ পরিস্থিতি তুলে ধরে ভারত 

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধুর ছিল দৃঢ় ব্যক্তিত্ব

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *