ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ করছে বাঙালীরা

প্রকাশিত: ১০:২০, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আপডেট: ১১:৩৩, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৫’শ ৪৮ তম প্রতিবেদন।

একাত্তর সালে বাঙালির সশস্ত্র সংগ্রামের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আতœসমর্পণ করার জন্য রাজাকার বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী। একাত্তরে দখলদার পাকিস্তানী সেনাদের এদেশিয় দালাল ও সহযোগীদের সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম রাজকার বাহিনী।

১৯৭১ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ভাষণ দেন কর্নেল ওসমানী। মুক্তিযুদ্ধের সার্বিক পরিস্থিতি জানান। বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ করছে। বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আমাদের জাতীয় পতাকা সমুন্নত রাখার জন্যই এই যুদ্ধ করছি। বাংলাদেশের পবিত্র ভূমি থেকে শেষ হানাদার সৈন্যটিকে নিশ্চিহ্ন না করা পর্যন্ত আমাদের এই যুদ্ধ ক্ষান্ত হবে না। বাংলার বীর সন্তানেরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ও যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। উন্নত মানের অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত এবং সংখ্যায় বহুগুনে বেশি শত্র“র বিরুদ্ধে তাঁরা নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ, কঠোর সংকল্প ও আত্ম প্রত্যয়ের সাথে লড়ে চলেছেন। এ পর্যন্ত তারা কম করে হলেও ২৫ হাজার শত্র“ সেনাকে খতম করেছে বা নিরস্ত্র করেছে।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ওসমানী বলেন, “সুযোগ্য বাঙ্গালী সামরিক অফিসারগণ মুক্তিবাহিনীকে দ্রুত সুসংগঠিত বাহিনীতে পরিণত করেছেন। এই জন্যই বাংলাদেশ বাহিনীকে মুক্তিফৌজের বদলে মুক্তিবাহিনী বলা হয়ে থাকে। শত্র“র ওপর মুক্তিবাহিনীর আঘাত তীব্রতর হচ্ছে। অন্যদিকে দিশাহারা শত্র“বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে বীরত্ব দেখাচ্ছে। রাজাকারদের মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। যারা আত্মসমর্পণ করবে তাদের প্রতি ভাল ব্যবহার করা হবে।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

HIB/BDB

এই বিভাগের আরো খবর

রাজনীতি ও বঙ্গবন্ধুর জীবন ছিল সমার্থক

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
'ইয়াহিয়ার সাথে সোভিয়েত প্রেসিডেন্টের বৈঠক'

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
'স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়'

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
‘সমালোচনার মুখে পড়েন ইন্দিরা গান্ধী’

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
'বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন'

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
'সমর্থন দিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় ভারত'

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
'ইয়াহিয়া খান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দেন'

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
‘বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু’ 

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
'দূর্গতদের পাশে থাকতেন বঙ্গবন্ধু'

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *