কিডনি পাচার চক্র আবারো সক্রিয়

প্রকাশিত: ০৮:১৭, ২৯ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ১০:২৬, ২৯ নভেম্বর ২০২১

জয়পুরহাট সংবাদদাতা: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিডনি কেনাবেচা চক্র। অভাবের তাড়নায় এই চক্রের খপ্পরে পড়ে কিডনি বিক্রি করছেন গ্রামের সহজ সরল মানুষ। অথচ মিলছে না কাঙ্খিত টাকা, দূর হচ্ছে না অভাব। সেই সাথে বাড়ছে শারীরিক অসুস্থতা। হারাচ্ছেন কর্মক্ষমতাও। চক্রটির অপতৎপরতা রুখতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চাইছেন স্থানীয়রা। 

কিডনি বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ২০১১ সালে সক্রিয় হয়ে ওঠে কিডনি কেনাবেচা চক্র। সেই সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কিডনি বিক্রির খবর প্রকাশ পেলে নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। চক্রের সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন এই অপকর্ম বন্ধ ছিল। কিন্তু চক্রের সদস্যরা জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো সক্রিয় হয়, শুরু করে কিডনি কেনাবেচা। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দালালদের খপ্পরে পড়ে গত দশ বছরে কালাই উপজেলায় অন্তত ৫ শ’ কিডনি বিক্রি হয়েছে। দালালদের প্ররোচনায় ও অভাবের তাড়নায় কিডনি বিক্রি করেছেন বলে জানালেন ভুক্তভোগীরা। বিক্রির পর প্রতিশ্র“তি অনুযায়ি অর্থ না পাওয়ার অভিযোগও করলেন তারা। 

তারা জানালেন, একটি কিডনি বিক্রির পর নানা শারীরিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। জেলার সিভিল সার্জন বললেন, দুটি’র জায়গায় একটি কিডনি দিয়ে সুস্থভাবে জীবনযাপন কঠিন। এতে কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। 

প্রভাবশালী মহলের পৃষ্ঠপোষকতায় কিডনি কেনাবেচার চক্রটি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধির।

এদিকে, কিডনি নিয়ে ব্যবসা বন্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার মো. মাছুম আহম্মদ ভূঁঞা। চক্রের ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি। 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...