ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর যেসব উপসর্গ

প্রকাশিত: ২৯-১১-২০২১ ১১:৩৯

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চলমান করোনা অতিমারর মধ্যেই নতুন করে উদ্বেগের করণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রন। করোনার ধরনগুলো মধ্যে ওমিক্রন সবচেয়ে বেশি রূপান্তরিত হয়েছে। ধরনটিকে উদ্বেগজনক আখ্যায়াতি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে প্রথম শনাক্ত করেন দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ডা. অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের নুতন এই ধরনটিতে সংক্রমিত রোগীদের শরীরে তেমন উপসর্গ নেই। হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াই তারা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এই চিকিৎসক বলেন, ‘গত ১৮ই নভেম্বর আমার ক্লিনিকের সাতজন রোগীর মধ্যে অপরিচিত উপসর্গ ছিল। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ধরনের থেকে যার পার্থক্য খুবই কম। ওইদিন একজন রোগী আমাকে অত্যন্ত ক্লান্তি অনুভব করার কথা জানান। তার শরীরে ও মাথায় হালকা ব্যথা অনুভব করছেন বলেও উল্লেখ করেন।

ওই রোগীদের করোনা পরীক্ষা করার পর পজিটিভ আসে। তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ও সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর একই ধরনের আরো কয়েকজন রোগী পাওয়া যায়। যাদের প্রত্যেকেই ওমিক্রনে আক্রান্ত । নমুনা যাচাই শেষে ২৫শে নভেম্বর নতুন ধরনটির বিষয়ে নিশ্চিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কমিউনিক্যাবল ডিজিজ।

ওমিক্রন আক্রান্তদের উপসর্গের বিষয়ে অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি বলেন, ‘অধিকাংশই অতি মৃদু উপসর্গে ভুগছেন। আক্রান্তদের পেশীতে মৃদু ব্যথা, গলায় খুসখুস ভাব এবং শুকনো কাশি হচ্ছে। অল্প কয়েকজনের শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বেশি পাওয়া গেছে।
অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি বলেন, ‘ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীদের বেশিরভাগই পুরুষ, যাদের বয়স ৪০ বছরের নিচে। আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে অর্ধেকই করোনা টিকার পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন। তরুণ রোগীদের ক্ষেত্রে ওমিক্রন খুবই অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে জানিয়ে সতর্ক হওয়া পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

/admiin