১৯০ কোটি টাকা পাচার করেছে আপন জুয়েলার্স

প্রকাশিত: ২৯-১১-২০২১ ১৪:১০

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

আশিক মাহমুদ: অর্থ পাচার ও শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে করা ৫ মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ১৯০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার ও ২৭ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার প্রমাণও পেয়েছে সংস্থাটি। মামলাগুলো এখন অনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর অপেক্ষায় আছে।

২০১৭ সালের মার্চ মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার পর আলোচনায় আসে আপন জুয়েলার্সের নাম। কারণ, ওই মামলর প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ।

ওই ঘটনার পর আপন জুয়েলার্সের মৌচাক, সীমান্ত স্কয়ার, উত্তরা, ডিএনসিসি ও সুবাস্তু ইমাম টাওয়ারের শাখায় অভিযান চালায় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। উদ্ধার করা হয় প্রায় ১৫ মণ অবৈধ স্বর্ণ ও ৭ হাজার ৩শ ৬৯ পিস ডায়মন্ড। এসব স্বর্ণের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় সেগুলো জব্দ করে রাজধানীর ধানমন্ডি উত্তরাসহ ৫টি থানায় ৫টি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। আসামি করা হয়, আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম এবং তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার এবং শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ ও ডায়মন্ড আমদানীর অভিযোগ আনা হয়।

মামলাগুলো প্রায় চার বছর ধরে তদন্ত করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। স¤প্রতি তদন্ত শেষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে সংস্থাটি। আদালত অভিযোগ পত্র আমলেও নিয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর বলছে, আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে ১৯০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার ও ২৭ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে তারা। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রউফ।

/admiin