স্বামীর হাতেই খুন হয়েছেন অভিনেত্রী শিমু

প্রকাশিত: ১৮-০১-২০২২ ১৫:৩৭

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে হত্যায় তার স্বামী নোবেল ও মরদেহ গুমের ঘটনায় নোবেলের বন্ধু ফরহাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ই জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার।

পারিবারিক কলহের জেরেই চলচিত্র অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু খুন হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যার সাথে জড়িত বলে শিমুর স্বামী প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তবে কিভাবে ও কোথায় শিমুকে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি পুলিশ। এদিকে, শিমুর স্বামীসহ দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে সোমবার বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় চলচিত্র অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমুর মরদেহ। সোমবার সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ব্রিজের কাছ থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ। বিকেল পযর্ন্ত অজ্ঞাত হিসেবেই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল শিমুর মরদেহ। পরে রাতে পরিচয় শনাক্ত করেন তার ভাই শহীদুল ইসলাম খোকন। দুই সন্তানের জননী শিমু রোববার থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কলাবাগানের বাসা থেকে নিখোঁজ হন শিমু। ওইদিন রাতেই থানায় জিডি করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদহের গলায় একটি দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে তারা। এ ঘটনায় শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বন্ধু ফরহাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নোবেল এই হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, হত্যার প্রকৃত কারণ উুোচন ও জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে শিমুর পরিবারের সদস্যরা।

১৯৯৮ সালে চলচিত্রে অভিনয় শুরু করেন রাইমা ইসলাম শিমু। ২০০৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত বড় পর্দায় দেখা গেছে তাকে। গত কয়েক বছর ধরে তিনি নাটকেও অভিনয় করছিলেন।

/admiin