রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন সংস্কারের পরামর্শ

প্রকাশিত: ২৪-০১-২০২২ ১৫:০৭

আপডেট: ০৪-০২-২০২২ ১২:৪২

কাজী ফরিদ: দেশের ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ২৫টি দল। ১০টি দলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীই জয়ী ৯৮ শতাংশের বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক দলের ভোটে অনাগ্রহ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তারা।

পাঁচ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়া ২৫টি রাজনৈতিক দলের বেশিরভাগেরই কোন প্রার্থী জয়ী হয়নি। আবার এই ২৫টি দল সব ধাপের নির্বাচনেও প্রার্থী দেয়নি। এছাড়া, বিএনপিসহ নিবন্ধিত আরো ১৪টি দল স্থানীয় সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে অংশ নেয়নি।

আওয়ামী লীগসহ মাত্র ৪টি দল ১শর বেশি ইউনিয়নে প্রার্থী দিতে পেরেছে। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পাঁচ ধাপে ৫০৩টি ইউনিয়নে প্রার্থী দেয়। ইসলামী আন্দোলন প্রায় ১৬শ ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী দিয়েছে।

পাঁচটি বা এরও কম ইউনিয়নে প্রার্থী দিয়েছে ১২টি দল। পাঁচ ধাপে ৩৭৭১টি ইউপিতে ভোটের তফসিল হয়েছিলো। এসব ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া, মাত্র ১০টি দলের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ছোট দলগুলো বরাবরের মতোই নির্বাচনে অনাগ্রহী। সাংগঠনিক কার্যক্রমেও আছে স্থবিরতা।

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির নির্বাচন কমিশনে দেয়া ঠিকানায় গিয়ে দলের সাইনবোর্ডই পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে জানা গেলো প্রায় দুবছর ধরে কেউ আসেন না অফিসে।

দলগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিস্ক্রিয়তা ও নির্বাচনে অনাগ্রহ গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক নয় বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন করা হয়েছিল। এই আইন সংস্কারের পরামর্শ দেন তারা।

তবে রাজনৈতিক দলের দেখভালের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এসব বিষয়ে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

/admiin