পাঠ্যবই মুদ্রণ: ৩২টি প্রতিষ্ঠানকে শাস্তি

প্রকাশিত: ০৯-০৫-২০২২ ১৪:১৫

আপডেট: ০৯-০৫-২০২২ ১৫:৫৭

রীতা নাহার: সময়মতো শতভাগ পাঠ্যবই সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় ৩২টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে শাস্তি দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবি। তাদের মধ্যে ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত দরপত্রে অংশ নিতে অযোগ্য ঘোষণা করে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে আরো ৬টি প্রতিষ্ঠানকে। নিুমানের বই সরবরাহ করেও কেউ কেউ ছাড় পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে মুদ্রণ শিল্প সমিতি।

চলতি বছরে স্কুল পর্যায়ের সব শ্রেণীর বই এখনও শতভাগ সরবরাহ করতে পারেনি কোন কোনও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান। প্রায় ২শ’ প্রতিষ্ঠান এ বছর বই ছাপার কাজ পায়। এনসিটিবিরি সাথে চুক্তি বিলম্বিত হওয়া, দেরিতে ছাপার কাজ শুরু হওয়া, নিুমানের কাগজে মানহীন ছাপা’র মতো নানান অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানান, মুদ্রণ শিল্প সমিতির উপদেষ্টা তোফায়েল খান।

তিনি আরো জানান, অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের এক থেকে দুই মাস পরে বই সরবরাহ করেছে। এইসব প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে এনসিটিবির দরপত্রে অংশগ্রহণে বিভিন্ন মেয়াদে অযোগ্য ঘোষণা করেছে এনসিটিবি। তবে কেউ কেউ ছাড় পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান মশিউজ্জামান জানান, এবারই বেশি সংখ্যক মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান শাস্তির আওতায় এসেছে। এর আগে কালো তালিকাভুক্ত হয়েও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্য নামে বা অন্য প্রতিষ্ঠানের হয়ে আবার কাজ পেয়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রতারণা বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান এনসিটিবি চেয়ারম্যান।

নিুমানের কাগজ ও ছাপার অভিযোগও তদন্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

KNR/ramen