ভোজ্য তেল মজুদ : ঢাকা ও চট্টগ্রামে জরিমানা

প্রকাশিত: ০৯-০৫-২০২২ ২১:০০

আপডেট: ০৯-০৫-২০২২ ২১:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ৯৪ ড্রাম সয়াবিন ও পাম তেল মজুদের দায়ে রাজধানীর উত্তর যাত্রাবাড়ীর একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় বিক্রির রশিদ দেখাতে না পারায় আরও দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। 

বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের সংকটের কারণ খুঁজতে সোমবার সকালে রাজধানীর উত্তর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র‌্যাব। এসময়, অদ্বিতি ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ভোজ্যতেলের গোডাউনে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই। এরপর জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ রয়েছে ৬২ ড্রাম সয়াবিন ও ৩২ ড্রাম পাম তেল।

পরে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্ধারিত দামে তেলগুলো যেন বিক্রি করা হয় সেই নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি তা মনিটর করতে একটি বিশেষ টিম গঠন করেছে ভোক্তা  অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

কোথা থেকে কবে এসব তেল কেনা হয়েছে, এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র পায়নি ভোক্তা অধিদপ্তর। বরং সত্যতা সত্যতা মিলেছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রির।

পরে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিক্রির রশিদ দেখাতে না পারায় দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এদিকে, চট্টগ্রামে অবৈধভাবে গুদামজাত করা ১৫ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। নগরীর পাহাড়তলী বাজারে মেসার্স সিরাজ স্টোরে অভিযান চালিয়ে এক হাজার কার্টনে ১৫ হাজার লিটারেরও বেশি ভোজ্য তেলের মজুদ পাওয়া যায়।  

এসব তেল ঈদের আগে কেনা হলেও বেশি দামে বিক্রির জন্য গুদামজাত করে রাখার প্রমাণ পেয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় ওই দোকানের মালিককে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

Rakib/shimul