স্ত্রীকে ফাঁসাতে মামাকে হত্যা

প্রকাশিত: ০৯-০৫-২০২২ ২১:৫৪

আপডেট: ০৯-০৫-২০২২ ২১:৫৪

নোয়াখালী সংবাদদাতা: নোয়াখালীতে সদর উপজেলায় বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মো. ওমর ফারুক নামে একজনের মরদেহ উদ্ধারের ১২ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সাথে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি আনছারুল করিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৯ই মে) দুপুরে প্রেস বিফিংয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো.শহীদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানান। 

গ্রেফতারকৃত করিম কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার উত্তর ঝাপুয়া গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে। নিহত ফারুক একই গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে। 

প্রেস বিফিংয়ে জানানো হয়, নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর সাকলা গ্রামের হারুনের মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে আসামি আনসারুল করিমের ২০১৮ সালে বিয়ে হয়। গত ২০শে এপ্রিল শারমিন করিমকে তালাক দেন। এতে করিম ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে সে স্ত্রী ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করে। 

পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে করিম তার মামা মো. ওমর ফারুককে গত ৫ই মে নিজ শ্বশুর বাড়ি উত্তর চাকলায় নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্বশুরবাড়ির উত্তর পাশে সুপারি বাগানের মধ্যে নিয়ে মামার শার্ট খুলে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে করিম। 

এরপর শ্বশুর বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভিতর মামার লাশ ফেলে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায় করিম। পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার চার দিন পর মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপর পলাতক আসামি রাসেলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল (রোববার ৮ই মে) দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালীর সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর চাকলা গ্রামের একটি বাড়ির  সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  

 

afroza/shimul