সিলেটে বাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশিত: ২০-০৫-২০২২ ১০:২৯

আপডেট: ২১-০৫-২০২২ ০৯:৫৯

ডেস্ক প্রতিবেদন: সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জকিগঞ্জে বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে শতাধিক গ্রাম। জেলা সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় পানিবন্দী লাখো মানুষ। নগরীর বিভিন্ন স্থানে এখনও নেই বিদ্যুত ও গ্যাস সরবরাহ। বিশুদ্ধ পানি ও শৌচাগারের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। এদিকে, সুনামগঞ্জে হাওরে পানির চাপ বাড়ছে। শহরে এখনও পানি প্রবেশ করছে। অন্যদিকে, লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বাড়ায় নদী তীরবর্তী নিম্লাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। 

একদিকে পাহাড়ি ঢল, অন্যদিকে টানা বৃষ্টি, দুয়ে মিলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। প্রবেশ করছে নতুন নতুন লোকালয়ে। পানিতে তলিয়ে আছে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক, বাসাবাড়ি, দোকানপাট, বাজার। পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন সদরসহ ১৩টি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। জেলার কয়েকটি এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বন্যার্ত মানুষকে। 

সিলেট সদর ছাড়াও কানাইঘাট, কোম্পানিগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। জকিগঞ্জের বরাক মোহনায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর উৎপত্তিস্থলে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে শতাধিক গ্রাম। 

এদিকে, বৃষ্টিপাত কমায় সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি কমলেও হাওরগুলোতে পানির চাপ বাড়ছে। পানিবন্দী হয়ে আছে জেলার লক্ষাধিক মানুষ। স্রোতের তোড়ে ভেঙ্গে গেছে ৩টি সেতু। জেলা সদরের সাথে তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে জেলার ২৫০ টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল এবং মাদ্রাসা। 

অন্যদিকে, উজানের ঢল আর বৃষ্টির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তায় পানি বাড়ছে। নিম্নাঞ্চলে তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। দ্রুত চরাঞ্চলের ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কৃষিবিভাগ। এছাড়া নেত্রকোণায় বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন নদীর পানি আবারও বাড়ছে। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

FR/sharif