বাজেটে সব সময়ই অবহেলিত স্বাস্থ্যখাত

প্রকাশিত: ০২-০৬-২০২২ ১৪:১৮

আপডেট: ০৮-০৬-২০২২ ১৬:০০

লাবণী গুহ: দেশের জাতীয় বাজেটে সব সময়ই অবহেলিত স্বাস্থ্যখাত। গত পাঁচটি অর্থবছরে মোট বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ ৫ শতাংশের মধ্যেই ছিলো। করোনা আসায় চলতি অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ২ শতাংশ বেড়েছে। আর ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়ের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সর্বনিæ। এরপরও যা বরাদ্দ আসে তার সঠিক ব্যবহার হয় না।

দুই বছর আগেও দেশের জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাত তেমন কোন গুরুত্ব পায়নি। তবে, করোনা আসায় একটু যেন নড়েচড়ে বসলেন বাজেট প্রণেতারা। কিছুটা বরাদ্দ বাড়ল ২০২১-২২ অর্থবছরে।

গত পাঁচ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতের বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ তে বরাদ্দ ছিলো ২০ হাজার ১৪  কোটি টাকা। যা ওই বছরের মোট বাজেটের ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ২০১৮-১৯ এ ২২ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৫.০৫ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের ৪.৯২ শতাংশ। ২০২০-২১ এ ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। যা বাজেটের ৫.২ শতাংশ। এবং সর্বশেষ ২০২১-২২ এ ৩২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা মোট বাজেটের ৭.৪ শতাংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিনিটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বলছেন, স্বাস্থ্যখাতে বাজেটে মোট বরাদ্দ বাড়ানো উচিত। তবে, বর্তমানে যা বরাদ্দ হয় তারও ২৫ শতাংশ ব্যয় করতে পারে না সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো। তিনি বলেন, কোন কোন খাতে বেশি অর্থ প্রয়োজন তার খাতওয়ারি বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা করতে হবে।

কর্মক্ষম ও তরুণ জনগোষ্ঠিকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন সুস্থ্য শরীর। এজন্য স্বাস্থ্যখাতে বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবির। তারা বলেন, স্বাস্থ্য বাজেট তৈরি এবং বাস্তবায়নকারীদের মধ্যে অদক্ষতা রয়েছে। এই ঘাটতি আগে পূরণ করতে হবে। 

LGR/sharif