দেশে মাঙ্কিপক্সের জীবাণু নেই

প্রকাশিত: ০৭-০৬-২০২২ ১৫:৩৭

আপডেট: ০৭-০৬-২০২২ ১৫:৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রমেই বাড়ছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগি। তবে দেশে এখন পর্যন্ত কারো শরীরে এই রোগের জীবানু পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগি পাওয়া না গেলেও আগে থেকেই সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। যাতে অযথা আতংক না ছড়ায়। এছাড়া সাধারণ চিকিৎসায় এই রোগ ২১ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়।

কয়েক শতাব্দীর পুরোনো মাঙ্কিপক্স নতুন করে মানব শরীরে ফিরে আসায় আবারো আতঙ্ক শুরু হয়েছে মানুষের মধ্যে। ভাইরাসটি দক্ষিণ আফ্রিকার পর এখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ছড়িয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো দেশে এখনো কারো শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি।

এই ভাইরাসটি প্রথমে পরীক্ষাগারে বানরের শরীরে পাওয়া যায়। তবে, মানবদেহে ছড়িয়েছে বিশেষ এক ধরণের ইঁদুরের মাধ্যমে। গুটি বসন্তের মতোই জ্বর ও পানি ভরা ফোসকা হয়। এছাড়া, আর একটি বিশেষ লক্ষণ হলো গলার দুই পাশের গ্রন্থি ফুলে যায় বলে জানালেন সুইডেন ক্যাপিও রগজভেদ হেলথ কেয়ার সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হোসেইন নেওয়াজ।

তবে দু:শ্চিন্তার বিষয় হলো প্রাথমিক অবস্থায় মানুষের দেহে এই ভাইরাসের দৃশ্যমান কোন লক্ষণ পাওয়া যায় না। ফলে অনায়াসে রোগির সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিএসএমএমইউ এর ইমেরিটাস অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ১৯৮০ সালেই বাংলাদেশ বসন্ত থেকে মুক্ত হয়। ওই সময়টাতেই দেশের যারা গুটি বসন্তের টিকা পেয়েছে তারা মাঙ্কিপক্স ভাইরাস আক্রান্ত থেকে শঙ্কামুক্ত। আর দেশে রোগি পাওয়া গেলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। সম্প্রতি আক্রান্ত দেশ ভ্রমনকারী কারো শরীরে কোন লক্ষণ থাকলে তা না লুকানোর পরামর্শও দেন তিনি।

LGR/sharif