পদ্মা সেতু শরীয়তপুরের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করবে

প্রকাশিত: ১৬-০৬-২০২২ ১৪:০৪

আপডেট: ১৬-০৬-২০২২ ১৫:১৩

ফাহিম মোনায়েম: পদ্মা সেতুর বড় উপকারভোগী হবে নদী পাড়ের জেলা শরীয়তপুরের মানুষ। নৌযান নির্ভরতা কমে যাওয়ায় তাদের জীবন-জীবীকায় বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে। তাই নতুন আশার আলো দেখছে শরীয়তপুরের মানুষ। এই সেতুর কারণে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে উঠবে কলকারখানা। এরই মধ্যে বেড়েছে জমির দাম।

অপেক্ষার শেষ হতে আর মাত্র ৮ দিন বাকি। আগামী ২৫শে জুন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে পদ্মাসেতু। শেষ সময়ে চলছে সৌন্দর্যবন্ধনের কাজ। এরই মধ্যে আলো জ্বলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে। পদ্মার জলে রাতের আলোয় ঝিলমিল করছে বাস্তব সেতু।

এই খুশিতে স্বপ্ন বুনছে পদ্মা পাড়ের শরীয়তপুর জেলার মানুষ। এই জেলার দূরত্ব ঢাকা থেকে মাত্র ৭৫ কিলোমিটার। যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় রাজধানীর এতো কাছাকাছি হওয়া সত্বেও গড়ে ওঠেনি কোন শিল্প কলকারখানা। পদ্মা সেতু ঘিরে শরীয়তপুরে শুরু হয়েছে নানা প্রস্তুতি। নিচু জমি ভড়াট করে চলছে স্থাপনা তৈরির কাজ। বেড়েছে জমির দাম। এগিয়ে আসছে বেসরকারি উদ্যোক্তারা।

পদ্ম সেতু চালু হলে এই অঞ্চলের মৎস্য, মুরগি ও ডিম, টমেটো রসুন, কালোজিরা ও মসলা জাতীয় পণ্যের বিপণনে নতুন পরিকল্পনা করছে উদ্যোক্তারা। এরই মধ্যে শরীয়তপুরে গড়ে উঠছে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী। এটি বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে শরীয়তপুর জেলার চিত্র। মাগুরার সাধারণ মানুষের মধ্যেও আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ঢাকাসহ বড় শহরে যাবে। পদ্মা সেতুকে ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য আসবে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলা।

FM/sharif