বরগুনায় মৎস্য ও কৃষিখাতে অপার সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ২৩-০৬-২০২২ ০৯:০৬

আপডেট: ২৩-০৬-২০২২ ১০:৫৪

বরগুনা সংবাদদাতা: স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। এই সেতু চালু হলে বরগুনা জেলার মৎস্য, কৃষি ও পর্যটন খাতে খুলবে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন নগরীর সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় পণ্য দ্রুত পৌঁছানো যাবে। বিশেষ করে বরগুনায় উৎপাদিত বিপুল মৎস সরাসরি দেশজুড়ে বিপননের সুবিধা মিলবে। লাভবান হবেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা।

পদ্মাসেতু যতই স্বপ্ন থেকে বাস্তবের কাছাকাছি আসছিলো ততই স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছিলেন বরগুনার ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। এই জেলায় বিপুল পরিমাণ মৎস উৎপাদন হয়। দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ মৎস অবতরন কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটায় অবস্থিত। 

এই মৎস্য অবতরন কেন্দ্র থেকে মাওয়া ঘাট দিয়ে ঢাকাসহ দেশের ৪০টি জেলায় ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ সরবরাহ করে বরগুনার আড়ৎদার ও পাইকাররা। কিন্তু ফেরি পোরাপারে সময় বেশি লাগায় ভোগান্তি পোহাতে হতো তাদের। এপার থেকে ওপার যেতে কখনও কখনও সময় লেগে যেত ২ থেকে ৩ দিন। ফলে কমে যেত মাছের গুণগত মান। 

পাইকাররা বলছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর মাত্র ৬ ঘন্টার মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে যাবে মাছ। কমবে পরিবহন খরচ। আড়ৎদাররা বললেন, পদ্মা সেতু পার হয়ে স্বল্প বরফ দিয়ে সারাদেশেই নিয়ে যেতে পারবেন মাছ। গুণগতমান ভালো থাকায় মিলবে বাড়তি দাম।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানালেন, পরিবহন সহজ হয়ে গেলে পাথরঘাটা মৎস্য অবতরন কেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে সরকার। পদ্মা সেতু চালু হলে বরগুনার কৃষি ও পর্যটন খাতও বদলে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পর্যটনে, নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে। 

AR/ramen