ঈদের পর পুঁজিবাজারে টানা দরপতন

প্রকাশিত: ২২-০৭-২০২২ ১৪:৩৯

আপডেট: ২২-০৭-২০২২ ১৬:৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের পর টানা আট কার্যদিবসে দরপতন দিয়ে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের অর্থনীতি নিয়ে নেতিবাচক বিভিন্ন আলোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে বাজারে টানা দরপতন চলছে। তবে আগামী মাস থেকেই কোম্পানিগুলো ডিভিডেন্ট ঘোষণা শুরু করবে। তাই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের গুজবে কান না দেয়ার পাশাপাশি লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করার পরামর্শও দিয়েছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। 

দেশের পুঁজিবাজারে শেষ ১৩ কার্য দিবসের মধ্যে ১১ কার্যদিবসই দরপতন হয়েছে। এর মধ্যে টানা আট কার্যদিবস ধরে চলেছে দরপতন। গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসই'র প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৩০৪ পয়েন্টে। মূল্যসূচক কমলেও লেনদেন ১২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বেড়ে হয়েছে ৫৯৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। তবে তৃতীয় কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ৬৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ১৫৩ পয়েন্টে। আর লেনদেন ১৯৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা কমে হয়েছে ৩১৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। যা ২০২১ সালের ৫ই এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন লেনদেন। সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ১২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ১২৬ পয়েন্টে। তবে লেনদেন বেড়ে হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

ডিএসই'র সাবেক সহ-সভাপতি আহমদ রশীদ লালী বলেন দেশের অর্থনীতি নিয়ে নেতিবাচক আলোচনাই পুঁজিবাজারের দরপতনের মূল কারণ বলে মনে করেন ডিএসই’র সাবেক এই কর্মকতা। 

ডিএসই'র সাবেক সহ-সভাপতি আহমদ রশীদ লালী জানান, বড় বিনিয়োগকারীরা বাজারে ফিরছে জানিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। সূচক ও লেনদেনের উঠা-নামা পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক চিত্র, তাই কোন গুজবে কান না দেয়ার পরামর্শও দেন ডিএসই’র সাবেক এই কর্মকতা। 

গত সপ্তাহের পুঁজিবাজারের চিত্র

বার                    লেনদেন(টাকা)                সূচক(পয়েন্ট)

রবি                   ৫৯৩ কোটি ৪৯ লাখ             ৬৩০৪

সোম                ৫১৫ কোটি ২৯ লাখ               ৬২১৬

মঙ্গল                ৩১৯ কোটি ৩৫ লাখ               ৬১৫৩

বুধ                    ৬৬৫ কোটি ৫৮ লাখ              ৬১৩৮

বৃহস্পতি            ৬৭৬ কোটি ৯৩ লাখ              ৬১২৬

Nijhum/sharif