লোডশেডিং: সরকারি হাসপাতালে নেই, বেসরকারিগুলোতে আছে

প্রকাশিত: ২৯-০৭-২০২২ ১৪:৪৯

আপডেট: ২৯-০৭-২০২২ ১৪:৫৫

ফাহিম মোনায়েম: লোডশেডিং এর আওতার বাইরে আছে সরকারি হাসপাতালগুলো। তবে বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানীগুলো বলছে, বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় সেগুলোকে লোডশেডিংয়ের বাইরে রাখা যাচ্ছে না। তবে পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতাল বেশি আছে এমন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে তারা।

জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সারাদেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং হচ্ছে। তবে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরের সরকারী হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখছে বিতরণ কোম্পানিগুলো।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি হাসপাতালে লোডশেডিং হচ্ছেনা। তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সকলকে সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে। 

বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী গুলো বলছে, বেসরকারী হাসপাতাল বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার কারণে লোডশেডিং এর বাইরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

জরুরী সেবা প্রতিষ্ঠান লোডশেডিং এর বাইরে রাখার কথা বলা হলেও জেলা-উপজেলার হাসপাতাল ক্লিনিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।   

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতালের লাইন আলাদা না থাকায় লোডশেডিং এর বাইরে রাখা যাচ্ছে না। 

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক না হওয়ায় পর্যন্তএই পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলার আহবান জানান তারা। 

 

AR/prabir