‘সম্মিলিত ভূমিকা রাখতে পারে কমনওয়েলথভুক্ত পার্লামেন্টগুলো’

প্রকাশিত: ০২-০৮-২০২২ ১১:৪৩

আপডেট: ০২-০৮-২০২২ ১১:৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ুু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলা, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়নসহ সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথভুক্ত পার্লামেন্টগুলো একত্রে কাজ করতে পারে বলে মনে করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

লন্ডনস্থ ওয়েস্টমিনিস্টার ভবনে হাউস অব কমন্সের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েল এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী । সাক্ষাৎকালে তারা জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, রোহিঙ্গা ইস্যু, বাংলাদেশের ডায়াসপোরা এবং সামাজিক উন্নয়নসহ কমনওয়েলথভুক্ত পার্লামেন্টসমূহের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বিগত সময়ে সিপিএ-এর চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কমনওয়েলথভুক্ত পার্লামেন্টসমূহ এবং আইপিইউ-সহ অন্যান্য পার্লামেন্টারি সংস্থাসমূহের সাথে সমন্বয় করে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে তিনি অবদান রেখেছেন বলে উলে­খ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসব ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সহযোগিতা ও সমর্থন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি। 

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ-সহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টগুলোর সাথে নানা ইস্যুতে মতবিনিময় করে যাচ্ছে। কমনওয়েলথও এই পদক্ষেপ অনুসরণ করতে পারে। 

স্পীকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে যেসব দেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশংকা রয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। তবে, সরকারের যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের কারণে বাংলাদেশ সফলতার সাথে সংকট মোকাবেলা করছে। পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদী পার্সপেক্টিভ প্লান ও ডেল্টা প্লান গ্রহণ করেছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।

ব্রিটিশ স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েল জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপ ও উদ্যোগসমূহের প্রশংসা করেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টসহ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বৃটেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিষ্ঠার সাথে অবদান রেখে যাচ্ছেন। একইসাথে তারা বাংলাদেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছেন।

এসময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ব্রিটেনের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন। বাংলাদেশ পার্লামেন্টের পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি ব্রিটিশ স্পিকারকে আমন্ত্রণ জানান। স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েল এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

 

 

MNU/joy