তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আদেশ কমেছে

প্রকাশিত: ০৩-০৮-২০২২ ১৫:০২

আপডেট: ০৩-০৮-২০২২ ১৫:০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: তৈরি পোশাক খাতে সদ্য সমাপ্ত জুলাই মাসে রপ্তানি আদেশ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। আবার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা স্থগিত করেছে অনেক ক্রেতারা। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি উৎপাদনেও ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। বিগত মাসগুলোতে পোশাক রপ্তানি আয় ভালো হলেও ক্রয়াদেশ কম থাকায় আগামী কয়েকমাস আয় কম হবে বলে শঙ্কা করছেন তারা। রপ্তানি বাড়াতে ও দাম বেশি পেতে পণ্যের বহুমুখিকরণের পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে। এরপর শীর্ষ রপ্তানিতে হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং পাট ও পাটজাত পণ্য। ২০২১-২২ অর্থবছরে  পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩শ’ ৩৭ কোটি ডলারের। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের  চেয়ে ১৬ দশমিক এক-ছয় শতাংশ বেশি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছে সেসব দেশের মানুষ। এর ফলে জুলাই মাসে দেশের পোশাক খাতের রপ্তানিতে ক্রয়াদেশ কমে গেছে বলে জানান এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ ও বিকেএমইএ এর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদেশি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন কোন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত না পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন সিপিডি এর সম্মানীয় ফেলো মুস্তাফিজুর রহমান।

দেশে বর্তমানে বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি। এই ঘাটতি কমাতে রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিষয় বেশি মনোযোগ দেয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

 

Nijhum/joy