বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত: ০৬-০৮-২০২২ ১০:৩৬

আপডেট: ০৬-০৮-২০২২ ১৬:১৭

বিউটি সমাদ্দার: আজ ২২শে শ্রাবণ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম মহাপ্রয়াণ দিবস। রবীন্দ্রনাথ কেবল তাঁর কালের কবি নন, তিনি কালজয়ী। বাংলাসাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর অবির্ভাব ছিলো যুগান্তকারী। মৃত্যুর এত বছর পরও তিনি এমন বটবৃক্ষ যার শাখা-প্রশাখা বাংলাকে পথ দেখায়। বাঙালিয়ানা বেঁচে থাকে। বাঙালি সংস্কৃতির মহান এই পুরুষ তাঁর অসামান্য সব সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে আজও বেঁচে আছেন, থাকবেন অনন্তকাল। 

বাঙালির জীবনযাপন ও সংস্কৃতিকে রবীন্দ্রনাথের মতো বড় করে কেউ তুলে ধরেননি। তাই বাঙ্গালির কাছে এখনো তিনি অনিবার্য। 

মূলত কবি হিসেবেই তাঁর প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত। সময় বদলের পর্বে পর্বে তাঁর জীবন জিজ্ঞাসা ও সাহিত্যাদর্শনের পরিবর্তন ঘটেছে। যুগ যুগে সাহিত্য, সংস্কৃতি , সভ্যতা, দর্শন ও জ্ঞান বিজ্ঞানের যে রুপান্তর ঘটেছে, রবীন্দ্রনাথ তার সবকিছুই আত্মস্থ করেছেন, যার স্বরূপ অনুধাবন করা যায় তাঁর সাহিত্যেকর্মে।

কৈশোর পেরোনোর আগেই বাংলা সাহিত্যের দিগন্ত বদলে দিতে শুরু করেন তিনি। তাঁর পরিণত হওয়ার সাথেই পূর্ণতা পেয়েছে বাঙালির শিল্প-সাহিত্য। ৮০ বছরের জীবনে কবিগুরু অর্ধ শতাধিক কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও, গল্প-উপন্যাস-নাটক লিখেছেন বিস্তর। ছবিও এঁকেছেন বহু, আর জীবনের প্রায় পুরোটাই লিখেছেন বিভিন্ন স্বাদের ও ভাবের দু’ হাজারের বেশি গান। শুধু সাহিত্য-সংস্কৃতি নয়, রাজনীতি ও সমাজনীতি সেই সঙ্গে পূর্ব-পশ্চিমের সেতুবন্ধনের প্রধান পুরোধা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

মৃত্যুকে তিনি দেখেছেন মহাজীবনের যতি হিসেবে। জীবন, মৃত্যু ও জগৎ সংসার তাঁর নিকট প্রতিভাত হয় এক অখন্ড রপে। 

 

BRS/shamim