লাগামহীন চালের বাজার

প্রকাশিত: ১২-০৮-২০২২ ১৪:৩৫

আপডেট: ১২-০৮-২০২২ ১৫:০১

নিজস্ব প্রতিবেদক: চালের বাজারে চড়া ভাব কমছে না, উল্টো বাড়ছে নিয়মিতই। পাইকারি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরণের চালের দাম বস্তা প্রতি মানভেদে বেড়েছে দেড়শো থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। আর খুচরা পর্যায়ে কেজি প্রতি বেড়েছে ৩ থেকে ৫টাকা। চালের দাম বৃদ্ধির জন্য ডলারের উচ্চমূল্য আর  পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন আড়ৎদাররা। চালের মতো নিত্যপণ্যের নিয়মিত দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

কয়েক মাস ধরে নিয়মিতই বাড়ছে চালের দাম। আগে সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়লেও এখন চিত্র ভিন্ন। কয়েকদিনের ব্যবধানেই বাড়ছে দাম। 

পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৬৬ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৭৫টাকা পর্যন্ত। যা এক সপ্তাহ আগে ছিলো ৬৪ থেকে ৭০ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে বেড়ে আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। নাজির শাইলের দাম এখন প্রকারভেদে ৭৪ থেকে ৮৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিলো ৭০ থেকে ৭৮ টাকা। দেশি বাসমতি ৫ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪৮ টাকা থেকে বেড়ে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫২ টাকা পর্যন্ত। 

পাইকাররা বলছেন, সরকার চাল আমদানির অনুমতি দেয়ার পর দাম কমার কথা ছিলো। কিন্তু ডলারের উচ্চমূল্য এবং জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। সেই সাথে মিল মালিকদের চাল মজুদ করাকেও দুষলেন তারা।

খুচরা বাজারে চালের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৩ থেকে ৫টাকা। এক সপ্তাহ আগে ৬০ থেকে ৭২ টাকায় এক কেজি মিনিকেট বিক্রি হলেও এখন তার দাম ৬৮ থেকে ৮০ টাকা।  ৪ টাকা বেড়ে আটাশ চাল ৫৪, ৫ টাকা বেড়ে নাজির শাইল সর্বোচ্চ ৯০, দেশি বাসমতি ৪ টাকা বেড়ে ৮৪ আর মোটা চাল ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।

চালের এমন বাড়তি দামে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা। জানালেন ক্ষোভ।   

চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তায় তারা।

 

AR/prabir