করোনায় বিশ্বে মৃত্যু ও আক্রান্ত কমেছে

প্রকাশিত: ১৪-০৮-২০২২ ০৯:০৮

আপডেট: ১৪-০৮-২০২২ ০৯:০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২৭৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে সাড়ে ছয়শোর বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৪ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৬ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩৯ জন। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ কোটি ৪৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬০৩ জনে। একইসময়ে ভাইরাসটি থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ২১ হাজার ৩০১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৬ কোটি ৭৫ লাখ ৬ হাজার ৮২৫ জন।

রোববার (১৪ই আগস্ট) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া গেছে এ তথ্য।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৪ জন এবং মারা গেছেন ২২৬ জন। 

ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৬৩ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৬০ জন। যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ১২৩ জন এবং মারা গেছেন ৩১ জন।

একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৫১৫ জন এবং মারা গেছেন ৬৭ জন। ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ৭৮৫ জন এবং মারা গেছেন ১২৯ জন। মেক্সিকোতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৮৯২ জন এবং মারা গেছেন ৭২ জন।

তাইওয়ানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২১ হাজার ২৮৯ জন। রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬০ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৮ হাজার ৬৯৪ জন। একইসময়ে নিউজিল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৭৩৭ জন এবং মারা গেছেন ২৭ জন।

 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ১২৫ জন এবং মারা গেছেন ৮৯ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।

 

rocky/joy