সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সাংঘর্ষিক

প্রকাশিত: ১৪-০৮-২০২২ ২৩:০৭

আপডেট: ১৪-০৮-২০২২ ২৩:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশিদের টাকার বিষয়ে সরকার সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে এবং চেয়েও তা পায়নি বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছেন দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। এ সময় আদালত মন্তব্য করেন, রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক যা বলছে তাতে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সঠিক নয়, সাংঘর্ষিক। সকালে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে এ শুনানি হয়। 

২০১৩ সালে সুইস ব্যাংকের কাছে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের জমা রাখা টাকার বিষয়ে ৬৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চায় বাংলাদেশ। কিন্তু একজন ছাড়া অন্যদের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই বলে জানায় সুইজারল্যান্ড। আর ওই একজনের তথ্য দুদককে দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ।

রোববার সকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বাংলাদেশ ব্যাংকের গোয়েন্দা দলের দেয়া প্রতিবেদন জমা দেয় হাইকোর্টে।ওই প্রতিবেদনের উপর শুনানিতে আদালত বলেন, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার বিষয়ে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি, ঢাকায় নিযুক্ত সুইস রাষ্ট্রদূতের এমন বক্তব্য সরকারি বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২১ আগস্টের মধ্যে দুদকের আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য হলফনামা আকারে জমা দিতে নির্দেশ দেন।

শুনানি শেষে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূতকে কোন বক্তব্য দেয়ার আগে আরেকটু সতর্ক হওয়া উচিত ছিলো। 

গত ১০শে আগস্ট ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টদের এক অনুষ্ঠানে সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা নিয়ে সুইজারল্যান্ড সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকার কোনো তথ্য চায়নি বলে জানান ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড।

 

Rakib/shimul