‘মানবাধিকার নিয়ে চ্যালেঞ্জ থাকলেও মোকাবেলা সম্ভব’

প্রকাশিত: ১৭-০৮-২০২২ ২২:৩৮

আপডেট: ১৭-০৮-২০২২ ২২:৩৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিভিন্ন খাতে সরকারের ইতিবাচক অর্জন থাকলেও নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষায় এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ আছে বলে জানিয়েছেন মিশেল ব্যাচলেট। 

আজ বুধবার (১৭ই আগস্ট) ঢাকায় চার দিনের সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন মিশেল। এসময় গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সঠিক তদন্তের আহŸান জানান, মিশেল ব্যাচেলেট।

তিনি বলেন, জোরপূর্বক গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতনের অভিযোগ আমি শুনেছি। আমি সরকারের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছে এবং অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের প্রয়োজনীতা তুলে ধরেছি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি রেখে কীভাবে এই কমিশন তৈরি হতে পারে- জাতিসংঘ সে বিষয়ে পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে জাতিসংঘ প্রতিনিধি জানান, সেখানে এখনো ফেরার মত পরিবেশ তৈরি হয়নি। প্রত্যাবাসন স্বেচ্ছায় ও নিরাপদ হওয়া আবশ্যক। তবে দু:খের বিষয় এখনো সেখানে তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। স্থানীয়দের মধ্যো ধীরে ধীরে সেখানেও রোহিঙ্গা বিরোধী মনোভাব বাড়ছে, এটা উদ্বেগের বিষয়। আমি বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ কররো তাদের যেন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় যে কোন অস্থিরতা রোধে রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের মধ্যে আলোচনারও তাগিদ দেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

এছাড়া নতুন ডেটা সুরক্ষা আইন এবং ওটিটি আইনে মানবাধিকার নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে সুশীল সমাজ ও জাতিসংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার গুরুত্ব নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উলে­খ করেন।

চ্যালেঞ্জকে স্বীকার করে নেওয়াই একে অতিক্রম করার প্রথম পদক্ষেপ বলে উল্লে­খ করেন হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে উল্লে­খ করে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুশীল সমাজে দক্ষ ব্যাক্তিরা আছেন। কিন্তু জাতিসংঘের পরপর কয়েকটি মানবাধিকার প্রতিবেদনে বাংলাদেশে নাগরিকদের কথা বলার স্থান সংকীর্ণ হয়ে আসা, নজরদারি বাড়ানো, ভয়ভীতির তথ্য পাওয়া গেছে যেখানে জনগণকে নিজেকেই নিজের সেন্সর করতে হয়।'

 

Mukta/shimul