দেশে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের মানহীন সেবা

প্রকাশিত: ১৮-০৮-২০২২ ১৪:২৯

আপডেট: ১৮-০৮-২০২২ ১৫:৪৭

শেখ হারুন: “আমরা সবাই রাজা, আমাদের এই রাজার রাজত্বে”Ñ গানের এই লাইনের মতোই দেশের অ্যাম্বুলেন্স সেবা কেন্দ্রিক বাণিজ্যের জগৎ। অ্যাম্বুলেন্সের মান, ভাড়া, যাওয়া না যাওয়া এসব কিছু নির্ভর করে এই খাতের ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার ওপর। যেহেতু মহাবিপদে পড়ে সবাই অ্যাস্বুলেন্স ডাকে তাই বিপদগ্রস্তদের কাছ থেকে সুযোগ বুঝে ইচ্ছেমাফিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার মানসিকতাও আছে। অ্যাম্বুলেন্সকে ঘিরে এসব চিরকালীন সমস্যা। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টায় না, কারণ প্রতিকারের কোনো আয়োজন নেই। দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

এটা একটা ব্যক্তি মালিকাধীন অ্যা¤ু^লেন্স। যার ভেতরে একজন জটিল আইসিইউ’র রোগীও বহন করা সম্ভব। সেরকম সুযোগ সুবিধা আছে এখানে। এই গাড়িটাও একটা ব্যক্তি মালিকানাধীন অ্যাম্বুলেন্স। যার ভেতরে করে একজন সুস্থ মানুষকে বহন করলেও অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।

কি থাকলে আর না থাকলে একটা গাড়ি অ্যাম্বুলেন্স হতে পারবে বা পারবে না তার কোনো নিয়মই কখনোই তৈরী করা হয়নি দেশে। ফলে যারা এই খাতের ব্যবসায়ী, তারা নিজেরা যেমনটা মনে করেন তেমনভাবেই ঠিক হয় অ্যাম্বুলেন্সের মানদন্ড।

অ্যাম্বুলেন্সের নিবন্ধন দেয় বিআরটিএ। তাদের কাছে কোনো মানদন্ড নেই। তাহলে কিসের ভিত্তিতে সেগুলোর নিবন্ধন দেয় জানিয়েছে সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তা।

সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে অ্যাম্বুলেন্সের এক ধরণের মান থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম থাকায় ব্যক্তি মালিকাধীন অ্যাম্বুলেন্সের রাজত্ব রাজধানীসহ সর্বত্র। সেখানেই মানের আকাশ পাতাল ফারাক। কিন্তু নিরুপায় ব্যবহারকারীদের জন্য কোনো প্রতিকার নেই।

অ্যাম্বুলেন্সের মালিকদের একটি নিবন্ধিত সংগঠন চার বছর আগে অ্যাম্বুলেন্স সংক্রান্ত নীতিমালা চেয়ে হাইকোর্টর শরণাপন্ন হন কিন্তু তার মীমংসা আজও হয়নি। সরকারের প্রতিষ্ঠান বিআরটিএও মনে করে অ্যাম্বুলেন্সের নীতিমালা জরুরী।

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানা যায় সরকারী অ্যাম্বুলেন্স সংক্রান্ত নীতিমালা আছে, কিন্তু বেসরকারী বা ব্যক্তি মালিকাধীন অ্যম্বুলেন্স নিয়ে নীতিমালা কখনো হয় নি।

 

HAR/joy