চালের বাজারে দাম কমার লক্ষণ নেই

প্রকাশিত: ২৬-০৮-২০২২ ১৫:৩৮

আপডেট: ২৬-০৮-২০২২ ১৫:৩৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: চালের বাজারে চড়া ভাব কাটছে না। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এখনও। এতে ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে ভোক্তাদের। তারা বলছেন, বেশ মেপে মেপে চলছে কেনাকাটা। এদিকে, চালের দাম বাড়ার জন্য কোন কোন ব্যবসায়ী পরিবহন খরচকে দায়ী করলেও, হিসেব কষলে সেই অভিযোগ ধোপে টেকে না। কেউ কেউ আবার চালের মূল্যবৃদ্ধির জন্য কর্পোরেট ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের দুষছেন।

জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর আরেক দফা দাম বেড়ে যায় চালের বাজারের। কারণে হিসেবে দেখানো হয়, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে। 

হিসবে কষলে দেখা যায় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকায় আসতে এক কেজি চালে খরচ বেড়েছে ৫০ পয়সা কিংবা তারও কম।

প্রতি কেজি চালে পরিবহন খরচ ৫০ পয়সা বাড়লেও বাজারে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। মিনিকেট বস্তাপ্রতি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে, যা আগে ছিলো  ৩ হাজার ৭০০ টাকা। মোটা চালের দাম বস্তাপ্রতি বেড়েছে ১০০ টাকা। আটাশ চালের বস্তাতেও বেড়েছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৬৮ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। যা আগে ছিলো ৬০ থেকে ৭০ টাকা। আটাশ  ও মোটা চালও কেজিতে বেড়েছে ৭ থেকে ১০ টাকা। 

চালের এমন চড়া দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে।  

এদিকে, ভোজ্যতেলের দামও বেড়েছে। বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটারে ৭ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৯২ টাকায়। নতুন করে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ায় ক্রেতার উপর চাপ বাড়লো আরেকদফা। 

 

 

AR/joy