বাজার ভেদে চাল ও ভোজ্যতেলের দামে ফারাক

প্রকাশিত: ০২-০৯-২০২২ ১৪:২৫

আপডেট: ০২-০৯-২০২২ ১৮:৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাল ও ভোজ্যতেলের দামে অনেক ফারাক রাজধানীর পাইকারী ও খুচরা বাজারে। পাইকারী থেকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালে ১৩ টাকা পর্যন্ত বেশি নেয়া হচ্ছে। একই অবস্থা ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও। পাইকারি বাজারে বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯শ’ টাকায়। সেই তেল খুচরা বাজারে কিনতে হচ্ছে ৯৭০ টাকায়। পাইকারী ও খুচরা বাজারে পণ্যের হাতবদলে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা করলেও, বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে ভোক্তাদের। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ক্রেতারা।

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছে অনেকে। এরমধ্যে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই খুচরা ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে চাল ও ভোজ্যতেলের দাম হাঁকছে ইচ্ছেমতো। রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারী ও খুচরা বাজারে, এই দু’টি নিতপণ্যের দামের বড় ব্যবধান। পাইকারী বাজার থেকে পণ্য ক্রয়ের রশিদও দেখাতে পারছে না অতি মুনাফালোভী খুচরা ব্যবসায়ীরা। 

আজ শুক্রবার (দোসরা সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ২৮ চাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা, সেই চাল বাড্ডার গুদারাঘাটে ৬০ টাকায় কিনছে ক্রেতা। মিনিকেটের দামও হাতবদলে কেজিতে বেশি নেয়া হচ্ছে ৫ টাকা। তবে দামের ফারাকটা সবচেয়ে বেশি নাজিরশাইলে। পাইকারী থেকে কিনে প্রায় ১৩টা বেশি নিচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। স্বস্তি নেই ভোজ্যতেলের বাজারেও। ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন পাইকারিতে ৯শ’ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তা ৯৭০ টাকা। আর খোলা সয়াবিন পাইকারি বাজারে যেখানে লিটারে ১৬৩ টাকা, খুচরা বাজারে তা হয়ে যাচ্ছে ১৮০ টাকা পর্যন্ত। 

বাজার ভেদে পণ্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতির ব্যবধানের কারণে দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতা। এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে চাল-চিনি-তেলসহ ৯টি নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেবার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

Akash/sharif