দানের হাত সংকুচিত, আয় কমেছে ভিক্ষুকের

প্রকাশিত: ০২-০৯-২০২২ ১৪:৩৯

আপডেট: ০২-০৯-২০২২ ১৬:৪৭

কাজী ফরিদ: প্রতিদিনের দান খয়রাতে জীবন কাটে যাদের, তাদের পাতা হাতে কমে গেছে আয়। ভিক্ষা হিসেবে এসব ছোট ছোট সাহায্য যারা করেন, তাদের দানের হাতও ছোট হয়ে গেছে।

সম্প্রতি এসব প্রতিক্রিয়া মিলছে জ্বালানী তেল ও সব নিত্যপণ্যের দাম অনেক বেড়ে যাবার ফলশ্রুতিতে। জীবন পালনের এমন কঠিন বাস্তবতায়কোন শ্রেণী-পেশার মানুষ কেমন আছে তাই জানতে বৈশাখী টেলিভিশনের ক্যামেরা ছুটেছে রাজধানীর সব প্রান্তে। অন্যদের সাহায্য ও অনুকম্পায় যাদের জীবনযাপন তাদেরকে নিয়ে আজকের পর্ব। 

হাত পেতে নেয়া অন্যের সাহায্যে জীবন কাটে যাদের সামজে তাদের পরিচয় ভিক্ষুক। বিভিন্ন বয়সের ভিক্ষুকরা বলছেন জীবন পালনের ব্যয় অনেক বাড়ায় মানুষের দানের হাতছোট হয়ে গেছে। মো. শাহজাহানভিক্ষা করেন শাহজাদপুর এলাকার ফুটওভার ব্রিজে। দুর্বল শরীরে সন্ধার পর কয়েক ঘন্টা বসেন। সংকটের জীবনে এখন কষ্ট বেড়েছে। 

নামের সাথে জীবনের মিল নেই সুখী বেগমের। ২০ বছর আগে ঢাকায় টোকাইয়ের কাজে নামলেও অসুস্থতার জন্য নিরুপায় হয়ে হাত পাতা শুরু করেন। এই শ্রেণীর মানুষেরা সর্বনিম্নমানের যে চাল খায় তার দাম বেড়ে কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অথচতাদেরসাহায্য গেছে কমে। 

একসময়ের মিষ্টির দোকানের এই দরিদ্র কর্মীহেলাল মিয়া স্ট্রোকের কারণে কাজ ছেড়েসুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ভিক্ষা শুরু করেন। সম্প্রতি সাহায্য কমায় ওষুধ হয়েছে অনিয়মিত, খাবার হয়েছে অনিশ্চিত। তেজগাঁও এলাকার ষাটোর্ধ ভিক্ষুক আবদুল হালিম সাহায্য অপর্যাপ্ত হলে ভুলে থাকেন পরিবারের কাছে ফেরার পথ।

KFA/sharif