বন্যার আশংকায় সবজি চাষ করছে না চাষীরা

প্রকাশিত: ০৫-০৯-২০২২ ০৮:৩১

আপডেট: ০৫-০৯-২০২২ ০৯:০৯

জামালপুর সংবাদদাতা: বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশংকায় জামালপুরে কয়েক মাস সবজি উৎপাদন বন্ধ রেখেছেন চাষীরা। ফলে জেলার চাহিদার ৭০ শতাংশ সবজি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আনতে হচ্ছে। এতে ভোক্তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। কৃষি বিভাগের সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে বলে অভিযোগ কৃষকদের।

জামালপুরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে উৎপাদিত সবজি জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়। সারা বছর এখানে সবজির আবাদ করা হয়। কিন্তু এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে গত ৪ মাস ধরে নিম্নাঞ্চলগুলোতে সবজির আবাদ বন্ধ রেখেছেন চাষীরা।

দীর্ঘদিন সবজির আবাদ বন্ধ থাকায় হাজার হাজার হেক্টর জমি পতিত রয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে আনতে হচ্ছে পেঁপে, পটল, শশা, করলা, ঢেঁড়শ, বেগুনসহ প্রয়োজনীয় সবজি। বাজারের চাহিদার ৭০ শতাংশ সবজিই অন্য জেলা থেকে আনায় পরিবহন খরচসহ আনুষাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

কৃষি বিভাগের সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে বলে অভিযোগ কৃষকদের।

তবে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাকিয়া সুলতানা বলছে, বন্যা পরবর্তী সবজির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্বল্প মেয়াদী শাক সবজি আবাদের জন্য কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

জামালপুরে প্রতি বছর দুই মৌসুমে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজির আবাদ হয়।

 

/sanchita