কে হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫-০৯-২০২২ ১১:০৭

আপডেট: ০৫-০৯-২০২২ ১১:০৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জ্বালানির ঘাটতি ও রেকর্ড মূল্যস্ফীতির কারণে চরম ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে করোনা বিধি নিষেধ ভেঙে ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শেষ পর্যন্ত নিজ দলের মন্ত্রী-এমপিদের সমর্থন হারিয়ে দলের নেতৃত্ব ছেড়েছেন আগেই। প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়বেন নতুন নেতা নির্বাচিত হলে। 

আজ সোমবার (৫ই সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম জানা যাবে। আগামীকাল মঙ্গলবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন বরিস জনসন।

কয়েক দফা  ভোটাভুটির পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্যন্ত টিকে রয়েছেন বরিস সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস ও সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। তাঁদেরই একজন শেষ হাসি হাসবেন। ধারণা করা হচ্ছে, লিজ ট্রাস জয় পাবেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম জানা যাবে।

সোমবার ফল ঘোষণার পর বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বিজয়ী নেতার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। ক্ষমতার এই হস্তান্তর সাধারণত লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেসে হয়ে থাকে। তবে এবার  সেটা হবে স্কটল্যান্ডের বালমোরাল ক্যাসলে।

ফলাফলের পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিদায়ী বক্তব্য দেবেন বরিস জনসন। এরপর তিনি স্কটল্যান্ডে যাবেন। সেখানে জনসন রানীকে তার পদত্যাগের কথা জানাবেন। এটাই নিয়ম। কিন্তু এবার রানীর অসুস্থতার কারণে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

এরপর বিজয়ী প্রাথীকে রানী সরকার গঠন করতে বলবেন। রানীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আনুষ্ঠানিক লন্ডনে ফিরে যাবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ হবে।

লন্ডনে বিকেলে ভাষণের পর প্রধানমন্ত্রী তার নতুন মন্ত্রিসভা নিয়োগ করবেন। বুধবার নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো হাউস অব কমন্সে যাবেন।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিল বরিস জনসন। পরবর্তী দুই বছরের কিছু বেশি সময়ে তাঁকে করোনা মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে হয়েছে। এসবের প্রভাবে চরম সংকটে পড়েছে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি। দেশটিতে এখন মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে রয়েছে। খাবার ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম দুই বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। তাই যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী যেই হোন না কেন, তাকে নিতে হবে প্রবল চাপ।

 

/sanchita