‘বাজেটে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা বৈষম্যের শিকার’

প্রকাশিত: ০৫-০৯-২০২২ ২০:১৮

আপডেট: ০৫-০৯-২০২২ ২০:১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বাজেটে দেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

আজ সোমবার (৫ই সেপ্টেস্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাজেট বৈষম্য শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন ঐক্য পরিষদ নেতারা। 

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ২০০৮ সালের পর সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য কমবে। কিন্তু আগে যা বরাদ্দ হতো, এখনো তা আছে। বরং আরও কমছে।’

এসময় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পর্যালোচনা করে বক্তারা জানান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচালনা ব্যয় বাদে ধর্মীয় সংখ্যাগুরু স¤প্রদায়ের জন্য মোট বরাদ্দের হার ৯৭ দশমিক ৮৭ এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু স¤প্রদায়ের জন্য ২ দশমিক ১৩।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলোর মোট প্রকল্প ব্যয়ের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু স¤প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এসময় ঐক্য পরিষদের বক্তারা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টগুলোকে ‘ফাউন্ডেশন’-এ রূপান্তরিত করাসহ চার দফা দাবি জানায়। তাদের অন্য দাবগিুলো হলো, ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঠিক শুমারির উদ্যোগ গ্রহণ করা। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মডেল মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নিমচন্দ্র ভৌমিক, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মনীন্দ্র কুমার নাথ প্রমুখ।

 

MHS/shimul